সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
Headline :
সাতক্ষীরায় বিদেশ পাঠানোর নামে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগে থানায় এজাহার* শ্রীবরদীতে শিশুদের হাম রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন । শিশু সুরক্ষায় সাঘাটায় শুরু হাম—রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা অসহায় ব্যক্তির মেয়ের বিয়েতে নগদ অর্থ প্রদান কুরবানির ঈদ ঘিরে মোহনগঞ্জে ‘বুচারদের’ বিশেষ প্রশিক্ষণ গৌরনদী আশকাঠি দূর্ঘটনা প্রতিরোধে স্পীড ব্রেকার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন। গৌরনদী আশকাঠি দূর্ঘটনা প্রতিরোধে স্পীড ব্রেকার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন এইচ. এম. তরিকুল ইসলাম প্রতিনিধিঃ গৌরনদী আশকাঠি দূর্ঘটনা প্রতিরোধে স্পীড ব্রেকার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠানে স্কুল শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের দাবি। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত মানবাদিকার ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি এন পি এস এর চেয়ারম্যান ও সাপ্তাহিক আধুনিক সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাংবাদিক নেতা জনাব মাহাবুবুল ইসলাম এর কিছু কথা।

বিদ্যুৎ চুরির টাকায় বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি: প্রশ্নবিদ্ধ রফিকুলের সম্পদের উৎস!

✍️ শোয়েব হোসেনঃ  / ২৪৯ Time View
Update : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫

✍️ শোয়েব হোসেনঃ

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর মিটার রিডার পদ যেন দুর্নীতির আঁতুড়ঘর। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানের বহু কর্মকর্তা অবৈধ সংযোগ ও মিটার কারসাজির মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন বিশাল অবৈধ সম্পদ। এমনই একজন আলোচিত নাম একেএম রফিকুল ইসলাম।

সূত্র জানায়, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও আশপাশের এলাকায় বাণিজ্যিক ও বস্তিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে আসছিলেন। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের ঘুষ। পাশাপাশি, মিটার টেম্পারিং ও বিল কারসাজির মাধ্যমে আবাসিক গ্রাহকদের কাছ থেকেও আদায় করেন বিপুল অর্থ।

২০২৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা সোয়েব হোসেন দুর্নীতি দমন কমিশনে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রফিকুল ইসলাম রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন, যার সাথে তাঁর চাকরির আয় মেলেনা।

আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ীতে ৩০ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রফিকুলের রয়েছে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে দুটি বহুতল ভবন (বাজারমূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন কোটি টাকা), কাটাসুর ও লালমাটিয়ায় দুটি ফ্ল্যাট, নিজ এলাকায় কয়েক একর জমি, দুটি মোটরবাইক, দুটি মাইক্রোবাস ও একটি বন্ধকী ফ্ল্যাট।

বাড়ির কেয়ারটেকার আইয়ুব আলী জানান, “এই বাড়ির মালিক রফিকুল ইসলাম। তবে কীভাবে এত সম্পদ করেছেন, আমি জানি না।”

জানা যায়, এর আগেও একাধিক সাংবাদিকের কাছে রফিকুল নিজের দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছিলেন, আবার প্রতিবেদন প্রকাশ না করতে অনুরোধ করেন ও ঘুষের প্রস্তাব দেন। এমনকি এক সাংবাদিককে ডিজিএফআই দিয়ে তুলে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন বলে একটি ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সুনামগঞ্জে কবি পপি ভৌমিক”র প্রথম কাব্যগস্থ দর্পণে দেখা আলোর আকুতি প্রকাশনা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রে দেওয়া স্থায়ী ঠিকানাও সন্দেহজনক। সহকর্মীদের দাবি, পাবনার সাথিয়া উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামে রফিকুল নামে কেউ নেই। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে চাকরি নিয়েছেন।

ডিপিডিসি সূত্র জানায়, রফিকুল সম্প্রতি বকশিবাজার কার্যালয়ে বদলি হয়েছেন। সেখানে গিয়েও তাঁর দুর্নীতি থেমে নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সহকর্মী জানান, তিনি দুর্নীতিবাজ মিটার রিডারদের একটি চক্র নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে তার সখ্য রয়েছে।

ডিপিডিসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একাধিকবার তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category