বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
Headline :
হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো। নিউজ: এক নজরে মোঃ আবুল হাসেম* কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে দৈনিক বাংলার সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা* বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা লোড আনলোড লেবার ইউনিয়নের নির্বাচন ২০২৬, তিন পদে ৬ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নীলফামারীতে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, আটক ৪ প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় লালমনিরহাটে অতিথি ক্লিনিক সিলগালা। পাটগ্রাম সী’মান্তে লাইট বন্ধ করে পু’শই’নের চেষ্টা মোঃসেলিম মিয়া লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা

আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো।

Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো।

থমকে গেলাম কিছুক্ষণ। ছবিটার দিকে তাকিয়ে মনে হলো, সময় কত দ্রুত চলে যায়।

এই ছবিটা তোলা হয়েছিল ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর। তখনই আমার মুখে নবীর উম্মত হিসেবে দাড়ি রাখছিলাম। মনের ভেতর একটা অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছিল। মনে হচ্ছিল, জীবনের একটা নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। বাহিরের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভেতরটাকেও বদলে ফেলতে হবে।

কিন্তু সময় যেতে যেতে শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম, দাড়ি রাখার আগে আমাকে সঠিক হৃদয়ের মানুষ হতে হবে। শুধু মুখে দাড়ি রাখলেই নবীর উম্মত হওয়া যায় না। আগে মনটাকে পরিষ্কার করতে হবে, হৃদয়টাকে সত্যিকারের মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। লোভ, হিংসা, অহংকার, প্রতারণা – এইসব থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে। তবেই দাড়ির মর্যাদা রক্ষা হবে।

সেই উপলব্ধি থেকেই আমি পাবলিক সোসাইটিতে মিশে গেলাম। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশলাম, তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনলাম, তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম। আমি বুঝলাম, ঘরে বসে শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবলে হবে না। মানুষের জন্য কিছু করতে হবে, সমাজের জন্য কিছু করতে হবে।

পুরনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। জীবনের সেই দিনগুলো, যখন অনেক কিছুই বুঝতাম না। কত ভুল করেছি, কতবার হোঁচট খেয়েছি, কতবার ভেঙে পড়েছি। আবার আল্লাহর রহমতে উঠে দাঁড়িয়েছি।

বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ ৪ বছর শেষ করতে যাচ্ছি। এই ৪ বছরে জীবন আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। সবচেয়ে বড় শিক্ষনীয় বিষয় হলো হরেক রকম মানুষ চেনা।

কত রকম মানুষ দেখলাম এই জীবনে। কেউ সামনে এসে বুকে জড়িয়ে ধরে, পেছনে গিয়ে বদনাম করে। কেউ বিপদের সময় সরে যায়, আবার কেউ অচেনা হয়েও বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। কেউ টাকার জন্য সম্পর্ক রাখে, কেউ স্বার্থের জন্য ভালোবাসার অভিনয় করে।

তবে আমার কাছে মনে হয়, কারাগারের ভিতরের মানুষগুলোর চেয়ে কারাগারের বাইরের মুখোশধারী মানুষগুলো বেশি ভয়ংকর। কারণ ভিতরের মানুষের অপরাধটা সবার জানা। তাদের শাস্তি হয়, তাদের পরিচয় স্পষ্ট। কিন্তু বাইরের মুখোশধারীরা ভদ্রতার মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। মুখে মিষ্টি কথা বলে, অন্তরে বিষ পুষে রাখে। তাদের চেনা সবচেয়ে কঠিন, তাদের থেকে সাবধান থাকা সবচেয়ে জরুরি।

তবুও আমি হতাশ হইনি। আমি থেমে যাইনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, খারাপ মানুষের সংখ্যা যতই বেশি হোক, ভালো মানুষ এখনো আছে। এখনো অনেক মানুষ আছে যারা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করে। তাদের ভালোবাসাই আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়।

তবুও আমরা আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়নে মানুষের জন্য কাজ করে দেশটাকে এগিয়ে নিতে চাই। আমি একা কিছু করতে পারবো না। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা আর সহযোগিতা ছাড়া কোনো বড় কাজ সম্ভব না।

আমার জীবনের সবকিছু মিলিয়ে একটাই চাওয়া – আমি যেন একজন সঠিক হৃদয়ের মানুষ হতে পারি। যেন মানুষ আমাকে দাড়ি দেখে নয়, আমার কাজ দেখে, আমার ব্যবহার দেখে, আমার সততা দেখে মূল্যায়ন করে। যেন মৃত্যুর পর মানুষ বলে, লোকটা ভালো ছিলো, মানুষের জন্য কিছু করে গেছে।

আমি সাংবাদিকতা করি, সমাজসেবা করি, রাজনীতি করি, ব্যবসা করি – সবকিছুর পেছনে একটাই উদ্দেশ্য, মানুষের জন্য কিছু করা। বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা, গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো।

জীবনে অনেক কিছু হারিয়েছি, অনেক কিছু পেয়েছি। তবে হারানোর কষ্টের চেয়ে পাওয়ার আনন্দ অনেক বেশি। মানুষের দোয়া পেয়েছি, ভালোবাসা পেয়েছি, এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

শুধু বলবো, আমাদেরকে দোয়া ও সহযোগিতা করুন। আপনাদের দোয়া থাকলে ইনশাআল্লাহ সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো কিছু করতে পারবো। দেশের জন্য, সমাজের জন্য, মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে পারবো।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। ইতি মোঃ আবুল হাসেম প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক বাংলার সংবাদ।


More News Of This Category

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।