বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
Headline :
হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো। নিউজ: এক নজরে মোঃ আবুল হাসেম* কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে দৈনিক বাংলার সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা* বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা লোড আনলোড লেবার ইউনিয়নের নির্বাচন ২০২৬, তিন পদে ৬ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নীলফামারীতে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, আটক ৪ প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় লালমনিরহাটে অতিথি ক্লিনিক সিলগালা। পাটগ্রাম সী’মান্তে লাইট বন্ধ করে পু’শই’নের চেষ্টা মোঃসেলিম মিয়া লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে দৈনিক বাংলার সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা*

Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

*কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে দৈনিক বাংলার সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা*

*মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:*

কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় দৈনিক বাংলার সংবাদের প্রতিনিধি হিসেবে মোঃ আলমগীর হোসেনকে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন, অনিয়ম ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য মোঃ আলমগীর হোসেনকে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নিয়োগের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলায় সাংবাদিকতার কার্যক্রম শুরু করেন।

তবে নিয়োগের পরপরই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, স্থানীয় সাংবাদিক সাহাদাৎ হোসেন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার জের ধরে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, “আমি পত্রিকার দায়িত্ব নিয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে চাই। কারো বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে সংবাদ করবো না। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

অন্যদিকে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাংবাদিক সাহাদাৎ হোসেনের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

*অনুমোদনবিহীন অনলাইন পত্রিকা নিয়ে সারাদেশে বিতর্ক*

এদিকে বর্তমানে সারাদেশে অসংখ্য অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টাল প্রকাশিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে অনেকগুলোই সরকারের যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই চলছে। ফলে সাংবাদিকতার মান, তথ্যের সত্যতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ নিয়ে সারাদেশে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে দৈনিক বাংলার সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আবুল হাসেম বলেন, “সরকার চাইলে পত্রিকাগুলোকে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দিতে পারে। অনুমোদনের আওতায় আসলে পত্রিকাগুলো দায়বদ্ধ থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো পত্রিকা বা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। অনুমোদন থাকলে অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে, আর প্রকৃত সাংবাদিকরাও নিরাপদে কাজ করতে পারবেন।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মনোহরগঞ্জের ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন নয়। সারাদেশেই প্রতিনিধি নিয়োগ, আধিপত্য ও অনলাইন পত্রিকার অনুমোদন নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তারা মনে করেন, সাংবাদিকদের উচিত ব্যক্তিগত বিরোধ ভুলে পেশাদারিত্ব ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে কাজ করা। আর সরকারের উচিত নীতিমালার আলোকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। তারা এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।


More News Of This Category

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।