বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
Headline :
হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো। নিউজ: এক নজরে মোঃ আবুল হাসেম* কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে দৈনিক বাংলার সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা* বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা লোড আনলোড লেবার ইউনিয়নের নির্বাচন ২০২৬, তিন পদে ৬ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নীলফামারীতে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, আটক ৪ প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় লালমনিরহাটে অতিথি ক্লিনিক সিলগালা। পাটগ্রাম সী’মান্তে লাইট বন্ধ করে পু’শই’নের চেষ্টা মোঃসেলিম মিয়া লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা

নীলফামারীতে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, আটক ৪

Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

নীলফামারীতে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, আটক ৪

আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্ট
০১৭১৭৭৭৬৯৭২

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় ছোট ছেলেকে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে তহমিনা আক্তার মিনা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। জমি ও ফসল কাটা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে তাকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

​মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিহত মিনা বেগম ওই এলাকার মো. জামিনুর রহমানের স্ত্রী।

​আটককৃতরা হলেন—উত্তর সোনাখুলি গুচ্ছগ্রাম এলাকার আমেতুল্লাহ মুন্সির ছেলে সামছুল হক (৬৫), মো. আয়নাল হকের ছেলে সবুজ (২৮), আয়নাল হকের স্ত্রী মোছা. ছবিরন (৫০) এবং আয়নাল হকের মেয়ে রাহেনা বেগম (২৫)।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মিনা বেগমের বড় ছেলে মিলনের (২৬) সঙ্গে আয়নাল হকের মেয়ে মোছা. হামিদা বেগমের (২২) বিয়ে হয়। কাবিন ও যৌতুকের অংশ হিসেবে আয়নাল হক একটি বন্ধকি জমি জামাতা মিলনকে চাষাবাদের জন্য দিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পর ওই জমির দখল, চাষাবাদ এবং পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ বাধে।

​এই বিরোধ মীমাংসার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বৈঠকও হয়েছিল। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে, বর্তমান মৌসুমের ধান কাটা শেষ হলে পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধান করা হবে।

​সালিশের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মঙ্গলবার বিকেলে ওই জমি থেকে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের জন্য ধানগাছের অবশিষ্টাংশ কাটতে যান মিলনের ছোট ভাই মস্তো মিয়া (১৪)। এ সময় আয়নাল হক ও তার ছেলে সবুজসহ কয়েকজন তার ওপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করেন।

​ছেলের চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান মা মিনা বেগম। কিন্তু ক্ষিপ্ত হামলাকারীরা তার ওপরও চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি মারধর চালায়। এ সময় হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মিনা বেগম এবং মুহূর্তেই তার মৃত্যু হয়।

​প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা খলিলুর রহমান ও হযরত আলী জানান, মিনা বেগমের মৃত্যুর পরও অভিযুক্তরা নির্বিকারচিত্তে ওই জমিতে ধান কাটতে থাকেন। পরে ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ধান কাটারত অবস্থায় চারজনকে হাতেনাতে আটক করেন।

​খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আটককৃতদের থানায় নিয়ে যায়।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। স্থানীয়দের সহায়তায় এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে যৌতুক ও ফসল কাটাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।”

​তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


More News Of This Category

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।