বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান

বিজ্ঞানের কাছে হার মানল খুনিরা: ডিএনএ টেস্টই ফাঁস করল রংপুরের চাঞ্চল্যকর ৪ খুন!

Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

বিজ্ঞানের কাছে হার মানল খুনিরা: ডিএনএ টেস্টই ফাঁস করল রংপুরের চাঞ্চল্যকর ৪ খুন!
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
​অবশেষে বিজ্ঞানের নিখুঁত প্রমাণের কাছে ধরা পড়ল রংপুরের আলোচিত চারজন সদস্যের নৃ#শংস হ#ত্যাকাণ্ডের মূল খু#নিরা। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিআইডির (CID) ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট নিশ্চিত করেছে—সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধই সেই নি#র্মম হ#ত্যাকাণ্ডের ঘা#তক।
​ঘটনার প্রেক্ষাপট
​গত ২২ আগস্ট, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি গোছানো পরিবারে ঘটে যায় এক ব#র্বরোচিত ঘটনা। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছোট ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী—এই চারজনকে ঘরের ভেতরে গলা কেটে হ#ত্যা করা হয়। এই হৃ#দয়বিদারক ঘটনায় কেঁ#পে উঠেছিল পুরো রংপুরসহ গোটা দেশ।
​যেভাবে ধরা পড়ল খু#নিরা
​পুলিশ তদন্তে নেমে প্রতিবেশী দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রে#প্তার করে। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিও দেয়। তবে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অভাবে মানুষের মনে সংশয় ছিল।
​অবশেষে সেই প্রশ্নের জবাব দিয়েছে সিআইডির ফরেনসিক টিম। ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত ৩৫টির বেশি আলামত পরীক্ষা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। খু#নিরা হ#ত্যাকাণ্ডের পর পালিয়ে না গিয়ে লা#শের পাশেই দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেছিল। তারা ফ্রিজ খুলে খেজুর খেয়েছে, শসা কেটে খেয়েছে, সিগারেট টেনেছে এবং গোসল পর্যন্ত করেছে—এই ভেবে যে সব প্রমাণ মুছে গেছে।
​বিজ্ঞানের চোখে ধরা
​খুনিরা বুঝতে পারেনি যে তাদের ফেলে যাওয়া কামড়ানো খেজুরের বিচি, অর্ধেক খাওয়া শসা এবং সিগারেটের ফিল্টারে লেগে থাকা লালা তাদের অপরাধের পাকাপোক্ত দলিল হয়ে থাকবে।
​গত ২০ সেপ্টেম্বর দুই আসামিকে কঠোর নিরাপত্তায় রংপুর কারাগার থেকে ঢাকার সিআইডি ল্যাবে নেওয়া হয়।
​গত ৮ অক্টোবর হাতে পাওয়া ডিএনএ রিপোর্টে দেখা যায়, ঘটনাস্থলের আলামতের ডিএনএ-র সাথে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর ডিএনএ ১০০% মিলে গেছে।
​রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এবং সিআইডি রংপুরের বিশেষ পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
​জনগণের দাবি: বিজ্ঞান ও প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এখন একটাই দাবি—দ্রুত চার্জশিট প্রদান করে এই দুই ন#রপশুর দৃ#ষ্টান্তমূলক ফাঁ#সি কার্যকর করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন নি#র্মমতার শিকার হতে না হয়।
​গণপতি স্যার ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের আত্মার শান্তি কামনা করি।


More News Of This Category