বুয়েট পাস, ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারশিপ ও বিসিএস-ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে,,,
মোঃ মজিবুর রহমান সিনিয়র সটাফ রিপোর্টার দৈনিক বাংলার সংবাদ,,,
উনাকে কি ‘পাগল’ বলবেন, নাকি শ্রদ্ধায় মাথা নোয়াবেন?
ভিকারুননিসা থেকে শুরু করে বুয়েটের সম্মানজনক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি, ৩৪তম বিসিএস কিংবা জনতা ব্যাংকের মতো স্বপ্নের ক্যারিয়ার—সবকিছু যার হাতের মুঠোয় ছিল,
কিন্তু তিনি চক-ডাস্টার হাতে নেত্রকোণার এক প্রত্যন্ত গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাঁড়িয়েছেন!
বলছিলাম মহীয়সী নারী নায়লা শারাফের কথা।
পদ, বড় বেতন আর পাওয়ার-পজিশনের পিছে ছোটার এই যুগে তিনি স্বেচ্ছায় বেছে নিয়েছেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভবিষ্যতের আলো জ্বালানোর পথ।
গত ৭ বছর ধরে নেত্রকোণার পঞ্চাননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের হাতে আর্টস-ক্রাফটস বানিয়ে শিশুদের আনন্দময় শিক্ষা দিচ্ছেন তিনি।
“একটা চকলেট কিংবা কেউ ভালোবেসে একটা ফুল দিলেই আমার মন ভরে যায়”—তাঁর এই একটি কথাই প্রমাণ করে আসল সাফল্য মোটা অঙ্কের বেতনে নয়, দিনশেষে শান্তিময় ঘুমে আর জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনে।
স্যালুট নায়লা আপুর এই অবিশ্বাস্য ত্যাগ আর ভালোবাসাকে! পরম করুণাময় তাঁর এই নিঃস্বার্থ মহৎ কাজকে কবুল করুন এবং দীর্ঘায়ু দান করুন।