কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য।
লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি
রওশন বাবু
০১৭২৫১৯২৪২৪
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের দইখাওয়া বাজারে সাদিকুল ইসলাম জুয়েলের বিরুদ্ধে কসমেটিক্স ও বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ব্যবসা এবং গোপনে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে।
দইখাওয়া বাজারে জুয়েলের একটি কসমেটিক্স ও বিকাশের দোকান রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ওই ব্যবসার আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে লোকজনের মাধ্যমে মাদক সংগ্রহ করে গোপনে এই ব্যবসা পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও দাবি করে, জুয়েলের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। তবে মামলা থাকার পরও তিনি পুনরায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
জুয়েলের বাড়ি ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের বনচুকি এলাকায়। সেখানকার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, দইখাওয়া বাজারে থাকা তার কসমেটিক্স ও বিকাশের দোকানটিকে ঘিরেই দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ব্যক্তি, যারা নিজেদের মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে পরিচয় দিয়েছেন, তারাও দাবি করেন—জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের কাছে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না জানতে চাইলে তারা জুয়েলের মাদক সংশ্লিষ্টতার দাবি সমর্থনে কিছু তথ্য-প্রমাণ দেন।
এদিকে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গোপনে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে অনলাইন জুয়ার বিষয়ে প্রতিবেদকের কাছে বর্তমানে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই।
অভিযোগের বিষয়ে সাদিকুল ইসলাম জুয়েলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখন আর ব্যবসা করি না। আমার কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবেন না।” পরে তার বিরুদ্ধে থাকা মাদক মামলা এবং প্রতিবেদকের হাতে আসা কিছু তথ্য-প্রমাণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা