সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
Headline :
আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোন গণ-অভ্যুত্থান হবে না-রুমিন ফারহানা এম বাদল খন্দকার (বিশেষ প্রতিনিধি) প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চমকপ্রদ সাফল্য মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি তারাকান্দায় ভাতিজার হাতে চাচা খুন” আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ বিভাগে ট্যালেন্টপুলে ২১০৬ জন, সাধারণ কোটায় ৩৫৯৯ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি কালিয়াকৈরে অতি ভারী টানা বৃষ্টি বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি,বসতবাড়ি দোকান রাস্তায় পানি বন্ধী শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ মধুপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ চিলমারীতে পানিতে ডুবে “বীর মুক্তিযোদ্ধার মোহাম্মদ আলীর” মৃত্যু হয়েছে। হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কা’ফি’রদের ভালোবাসা হা’রা’ম। বরং তা কবিরা গুনাহসমূহের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। সুতরাং মুসলিমের ওপর ওয়াজিব হলো যে, সে কা’ফি’রদের ঘৃ’ণা করবে এবং জানবে যে, তারা তার শ’ত্রু। মেদুয়ারীতে বেহাল সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ” আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি: শেরপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন মিজ্ সঞ্চিতা বিশ্বাস এসডি সোহেল রানা স্টাফ রিপোর্টার,

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল ) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার মহোৎসব। নদনদী, খালবিল ও ডোবা জলাশয়ে পানি উঠার সাথে সাথে ছেয়ে গেছে শতশত চায়না জালে।

চায়না জালকে একটা ফিক্সড ইঞ্জিন বলা হয়। এই জালে ছোট-বড় সব মাছই ধরা পড়ে। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছগুলো বেশি আটকে এই চায়না জালে। এটি জলজ উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। চায়না জাল খাল-বিল, জলাশয়, ডোবা ও নদীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালবিলে সারিবাঁধা প্রতিটি চায়না জালে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ছোট বড় সব ধরনের মাছই জালে আটকা পড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর সামান্য কিছু হলেও এলাকার বাজার গুলোতে দেশীয় মাছ দেখা যেতো কিন্তু এবছর বর্ষা শুরু হতে না হতেই সব মাছ চায়না জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে। এ ভাবে ছোট বড় সব ধরনের মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবেনা বলেও তারা জানান।

বিশিষ্টজনের মতে, শুধু খাল-বিলের চায়না জাল ধংস করলেই হবেনা, আগে বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে তবেই এর ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে।

এবছর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান পরিচালনা করলেও আর কোথাও অভিযান পরিলক্ষিত হয়নি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এখন পর্ষন্ত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে উপজেলার চারিদিকে চায়না জালে সয়লাব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয় লোকজন। বিশেষ করে কাকরাইদ হয়ে ধলঘাটে বংশাই নদীতে মিশে যাওয়া গুজাখালে শতশত চায়না জাল রয়েছে। একএকজনের ৪টি থেকে ৮টি পর্ষন্ত চায়না জাল রয়েছে। এছাড়াও থলথাট হতে টিকরী পর্ষন্ত বংশাই নদীর দুপারে প্রায় কয়েকশো জাল রয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গাহরী গ্রামের তুলাচাপড়া বিল, আকাশী ভান্ডারগাতী রোডের মাঝখানের জলাশয়, কুড়ালিয়া গ্রামের গাবা চড়া, কুড়ালিয়া আটাপাড়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে, পৌর শহরের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলে প্রচুর চায়না জাল রয়েছে। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চায়না জাল ধংস করতে না পারলে ভবিষ্যতে সব ধরনের দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে। এব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সহিত কথা বললে তিনি জানান, পর্যায় ক্রমে সকল জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


More News Of This Category