সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় রাবেয়া বেগমের পাশে সাঘাটার মানবিক ইউএনও মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। দিনাজপুর বীরগঞ্জে ১০ নং মহনপুর ইউনিয়নে সেনপাড়া হরিবাসরে জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘অক্টাগন’ উদ্বোধন করল মিশর জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান,  প্রতিনিধি মিশর।দৈনিক বাংলার সংবাদ।  খুলনা রেঞ্জে নতুন ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান দৈনিক বাংলার সংবাদ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় রাবেয়া বেগমের পাশে সাঘাটার মানবিক ইউএনও মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা মফস্বল প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত (দৈনিক বাংলার সংবাদ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা ) মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের ফুটবল দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হামিদুর রহমান পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:৫ জুলাই/২৬ নেতাকর্মীদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই – ওবায়দুল কাদের বহুগুণে গুণান্বিত ঝালকাঠিতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক আনিছুর রহমান

মাদক ভারত থেকে আসে, সীমান্তেই প্রতিহত করতে হবে: আতিক মুজাহিদ এমপি আরমান হোসেন রাজু

Update : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

মাদক ভারত থেকে আসে, সীমান্তেই প্রতিহত করতে হবে: আতিক মুজাহিদ এমপি

আরমান হোসেন রাজু

রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে চলমান মাদকবিরোধী গণআন্দোলনের নবম দিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কুড়িগ্রাম-২ আসনের এনসিপির সংসদ সদস্য এবং দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিক মুজাহিদ বলেছেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া মাদকের বড় একটি অংশ ভারত সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করছে। তাই সীমান্তেই এসব মাদক প্রতিহত করতে হবে।

রোববার দুপুরে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন মাদক প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাদকবিরোধী গণমিছিল, মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে আতিক মুজাহিদ বলেন, “মাদক আমাদের অঞ্চলের নয়, মাদক ভারত থেকে আমাদের দেশে আসে। ভারত আমাদের অঞ্চলে মাদক পাঠিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এই মাদক সীমান্ত পেরিয়ে এসে আমাদের সন্তানদের ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই ভারত থেকে আসা মাদক সীমান্তেই প্রতিহত করে ফেরত পাঠাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যেভাবে আওয়ামী লীগকে ভারতে পাঠানো হয়েছে, ঠিক একইভাবে ভারত থেকে আসা মাদককেও ‘পুশব্যাক’ করে দিতে হবে। দেশে কোনো ধরনের ভারতীয় মাদক প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।”

মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক দলগুলোর কঠোর অবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী মাদক কারবার বা মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত। একই সঙ্গে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে তাদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আলোচনা সভার আগে বালারহাট বাজার থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সীমান্তঘেঁষা বালারহাট-ফুলবাড়ী সড়কে গিয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে মিলিত হয়।
মানববন্ধন ও সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। বক্তারা মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এলাকাবাসী জানান, গত নয় দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে বহিরাগত মাদকসেবীদের প্রকাশ্যে মাদক সেবনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে মাদক কারবারীদের তৎপরতাও আগের তুলনায় কমে এসেছে।
তারা বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর করলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে একযোগে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এ ধরনের জনসম্পৃক্ত আন্দোলন ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।


More News Of This Category

পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।