মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline :
বঙ্গোপসাগরে ফিশিং বোট ডুবি: ৬ জেলে নিখোঁজ, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো. নুরুল হক এমপি নিজস্ব প্রতিনিধি: মো. আনোয়ার হোসেন নবীগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে যাতায়াতের জন্য রিক্সা ও সুস্থার জন্য চেক প্রদান করে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো প্রিয়জন গ্রুপ নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:- সাঘাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত: সমবায় সদস্যদের মাঝে ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ মোঃ মেহেদী হাসান, স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গোপসাগরে ফিশিং বোট ডুবি: ৬ জেলে নিখোঁজ, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো. নুরুল হক এমপি নিজস্ব প্রতিনিধি: মো. আনোয়ার হোসেন সাদুল্লাপুরে রাস্তায় মাটি দেয়া নিয়ে বিরোধে বিএনপি নেতার ওপর বর্বরোচিত হামলা স্টাফ রিপোর্টারঃ চট্টগ্রাম বোর্ডে ইংরেজি প্রথম পত্রে অনুপস্থিত ২১১২ শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৩ সাদুল্লাপুরে রাস্তায় মাটি দেয়া নিয়ে বিরোধে বিএনপি নেতার ওপর বর্বরোচিত হামলা *তেরখাদা ইউপি নির্বাচন: ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে শেখ সোহেল তাজের প্রার্থীতা ঘোষণা* সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন নিপীড়ন হত্যা বন্ধ চায় বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম – মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে: সংবাদ সম্মেলনে বান্দরবান সিভিল সার্জন

পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

Update : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

 

র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা
র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 

 

সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা
র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা
র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।


More News Of This Category