মোঃ আলমগীর মোল্লা
ফরিদপুরের, চরভদ্রাসন উপজেলা ২০২৬ অবৈধ বালু উত্তোলন ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চরভদ্রাসন উপজেলার গোপালপুর ঘাট এলাকার একটি বালুমহলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানের সময় বালুমহলে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে প্রশাসন বালুমহলের জন্য নির্মিত রাস্তা কেটে তা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করে দেয়। এতে স্থানীয় কৃষকরা এখন সহজেই নদী থেকে জমিতে সেচের জন্য পানি নিতে পারবেন।
গত সপ্তাহে উপজেলা সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অংমাচিং মারমা অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত থাকায় তিনটি বেকুর ও ছয়টি ব্যাটারি জব্দ করেন। মুসলেকা দিয়ে বেকু-ব্যাটারি ফেরত নেওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই প্রভাবশালীরা আবারও বেকু দিয়ে মাটি কাটা শুরু করে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন দপ্তরে লেখালেখি হয়।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বালুমহলের কারণে নির্মিত রাস্তা স্থানীয় কৃষকদের চলাচল ও কৃষিকাজে সমস্যার সৃষ্টি করছিল। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে রাস্তা কেটে নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করায় এখন কৃষিকাজ আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন চরভদ্রাসন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ। তিনি বলেন,
প্রশাসনের লক্ষ্য আইন মেনে সব কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা করা। গোপালপুর ঘাট এলাকার এই বালুমহলে অভিযান পরিচালনা করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় রাস্তা কেটে নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা সহজেই সেচের পানি নিতে পারবেন এবং কৃষিকাজে উপকৃত হবেন। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বা জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজ উপজেলা প্রশাসনের কাছে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছে।