ভেলাগুড়িতে ৬ কথিত মাদক ব্যবসায়ীকে ঘিরে চাঞ্চল্য; কঠোর অভিযানের দাবি এলাকাবাসীর।
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪
লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদকসংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এতে এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিরা হলেন—
১. স্বপন (শিমুলতলা, উত্তর জাওড়ানী)
২. নজরুল (সাতার দিঘি, উত্তর জাওড়ানী)
৩. জাহাঙ্গীর আলম (শিমুলতলা, উত্তর জাওড়ানী)
৪. আলমগীর (ঠিকানা জানা যায়নি)
৫. মদন (হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী, শিমুলতলা, উত্তর জাওড়ানী, বোর্ডের হাট)
৬. আশরাফুল (শিমুলতলা, উত্তর জাওড়ানী, বোর্ডের হাট)
এলাকাবাসীর দাবি, উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছেন। ফলে এলাকায় মাদকের বিস্তার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অনুসন্ধান চালিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলাফেরা করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে বেপরোয়া আচরণ করেন। এর ফলে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বাড়ছে বলে তারা জানান।
এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসন যদি শুরু থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ও ধারাবাহিক ব্যবস্থা গ্রহণ করত, তাহলে আজ ভেলাগুড়ি ইউনিয়নে এভাবে মাদকের বিস্তার ঘটত না। তাদের দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হলে এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতো না।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।