**মামলা জট নিরসনে বাধ্যতামূলক প্রি-কেইস মেডিয়েশন এবং পোস্ট কেইস মেডিয়েশনের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠানে রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের অংশগ্রহণ।**
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
৩০ জুন ২০২৬ খ্রি. জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, রংপুর এর আয়োজনে জেলা ও দায়রা জজ আদালত, রংপুর এর সম্মেলন কক্ষে “মামলা জট নিরসনে বাধ্যতামূলক প্রি-কেইস মেডিয়েশন এবং পোস্ট কেইস মেডিয়েশনের ভূমিকা” অনুষ্ঠানের শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবাগত বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, রংপুর মহোদয়কে ফুলের শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার, রংপুর মহোদয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: জনাব মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী, মাননীয় চেয়ারম্যান, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, রংপুর।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: জনাব মোঃ মঞ্জুরুল হোসেন, মাননীয় মহাপরিচালক সিনিয়র জেলা জজ, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, ঢাকা।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে মেডিয়েশন একটি কার্যকর বিকল্প পদ্ধতি। প্রি-কেইস ও পোস্ট কেইস মেডিয়েশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দ্রুত, কম খরচে ও বিনা হয়রানিতে ন্যায়বিচার পেতে পারেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রংপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন,
“আদালতের মামলা জট কমাতে পুলিশ প্রশাসন সবসময় লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। অনেক দেওয়ানি ও ছোটখাটো ফৌজদারি বিরোধ থানা পর্যায়েই মেডিয়েশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে জনগণের ভোগান্তি কমবে এবং পুলিশ মামলার তদন্তে বেশি সময় দিতে পারবে। আমি সকলকে মেডিয়েশন সংস্কৃতি গ্রহণ করার আহ্বান জানাই। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত।