বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
Headline :
সত্যের সন্ধানে, এক নতুন অধ্যায়: আমার জীবন, কর্ম, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকার ​নিজস্ব প্রতিবেদন, দৈনিক বাংলার সংবাদ কবি কলামিস্ট ও রাষ্ট্রচিন্তক অথই নূরুল আমিন এর সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত সম্মানিত পাঠকের জন‍্য দিলাম। স্টাফ রিপোর্টার : পিরামিড ডেমোক্রেসি গণতন্ত্রকে নিচ থেকে উপরে তোলার একটি রাজনৈতিক দর্শন গাইবান্ধায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগ ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭ পঞ্চগড় সীমান্তে আটক ২ রোহিঙ্গা দম্পতি, গন্তব্য ছিল ভারত! আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন স্টাফ রিপোর্টার (মনোহরগঞ্জ) কুমিল্লা বরিশালে ১০১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক, মোটরসাইকেল জব্দ এইচ.এম.তরিকুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক বাংলার সংবাদ সত্যের সন্ধানে, এক নতুন অধ্যায়: আমার জীবন, কর্ম, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকার *কুমিল্লার লাকসাম-মনোহরগঞ্জে হাসনাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত* বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য কনস্টেবল মোঃ আবু সালেহ এর অবসর জনিত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

Update : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার

মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইল মধুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দীর্ঘদিন যাবত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের পরিবার।
জানা যায়, মধুপুর উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আঃ মালেক তার পৈত্রিক জমিতে ঘর করে প্রায় ৫০/৬০ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। ভুক্ত ভোগী আব্দুল মালেক জানায়, তার মা শরভানুর নামে থাকা মধুপুর মৌজার ১৮৬৭ খতিয়ানে ১০. ৩৭ শতাংশ জমি রয়েছে। সে জমিতেই তার বাবা, মা থাকাকালীন সময় হতেই উক্ত জমিতে বাড়ী ঘর করে বসবাস করে আসছে। তার মা তার উক্ত জমি হতে ৪ শতাংশ জমি অন্যের নিকট বিক্রি করে। পরে বাকী জমি হতে আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল অপুর নামে ৪ শতাংশ জমি ২০১১ সালে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে মধুপুর কলেজপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে হারুন অর রশিদ এবং তার স্ত্রীর নিকট ৪ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। বাকী ২.৩৭ শতাংশ জমিতে আমার ঘর রয়েছে। হারুন অর রশিদ এর নিকট আমার ছেলে যে অংশে জমি বিক্রি করেছে হারুন অর রশিদ সে অংশে না গিয়ে জোর করে আমার বসত ঘরের অংশ হতে নেয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক। প্রায় সময়ই হারুন অর রশিদ এর লোকজন গিয়ে তার ঘর সরিয়ে নিতে বলছে। ঘর সরিয়ে না নেওয়ায় বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার। এমতাবস্থায় আমার পরিবার নিয়ে আমি আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমি অতি দরিদ্র মানুষ আমি অটো সিএনজি চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী অন্যের বাড়ীতে কাজ করে আমাদের সংসার চলে। বর্তমানে আমি অটোরিকশাও চালাতে পরছি না। তারা বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক ও তার স্ত্রী। তারা আরও জানান তাদের একটি ছেলে মাদরাসাতে পড়ে কয়েক মাসের মধ্যেই সে পুর্নাঙ্গ হাফেজ হবে। মালেক বলে আমরা তার লেখা পড়ার খরচ পর্যন্ত দিতে পারছি না। সে আরও বলেন আমি দরিদ্র মানুষ তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করব কেমনে। আমাদের সংসার চলে না, মামলা করতে খরচ পাতি হবে সে টাকাও আমাদের কাছে নাই।
এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।


More News Of This Category