রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline :
রূপসায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ওমর ফারুক. লালমনিরহাটে শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৮ টি যানবাহন থেকে ৮ হাজার ৯ শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ-বিপিএম মহোদয়ের পঞ্চগড় জেলা সফর: তেঁতুলিয়া মডেল থানা ও বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সুশীল সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় মধুপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ, ১৯ অক্টোবর সশরীরে হাজিরার নির্দেশ। কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন বেসরকারী অভিনেতা এবং স্থানীয় বাজার কর্তৃপক্ষের সাথে বাজার সংযোগের উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারী মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিক্সার চালকসহ ৫জন নিহত নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন বালিয়াকান্দিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মায়ের হাত ধরেই শেষ যাত্রা, বজ্রপাতে প্রাণ গেল মা ও ছেলের মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা দাসপাড়ায় এক হৃদয়বিদারক বজ্রপাতের ঘটনায় মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে ঘটে এই বেদনাদায়ক ঘটনা। কয়েক সেকেন্ডের বজ্রপাতেই নিভে যায় একই পরিবারের দুটি প্রাণ।

নিহতরা হলেন মান্দুরা দাসপাড়ার শ্রী শৈলান চন্দ্র দাসের স্ত্রী শ্রীমতি কল্পনা রাণী এবং তাঁর ছেলে শ্রী সোহাগ চন্দ্র দাস (২৮)।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বৃষ্টির সময় ঘরের বাইরে থাকা রান্নার কাঠ নিরাপদে ঘরে তোলার জন্য কল্পনা রাণী বাইরে যান। কাঠ সরিয়ে নিতে তিনি ছেলে সোহাগকে ডাক দেন। সে সময় সোহাগ তাঁর দেড় বছর বয়সী সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন। মায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসার মুহূর্তেই হঠাৎ বজ্রপাত আঘাত হানে।

বজ্রপাতে মা ও ছেলে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

মান্দুরা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহিন মণ্ডল বলেন, “মা ও যুবক ছেলে একই সঙ্গে বজ্রপাতে মারা গেছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”

এদিকে, একই ঘটনায় শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পরিবার ও স্বজনরা। সোহাগের রেখে যাওয়া দেড় বছর বয়সী সন্তান বারবার বাবাকে খুঁজছে। একদিকে স্বামী হারানোর বেদনা, অন্যদিকে সন্তান হারানোর অসহনীয় শোক—দুই আঘাত একসঙ্গে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে পরিবারটিকে।

ঘটনার খবর পেয়ে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির এবং সাঘাটা থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। একই পরিবারের মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যু এলাকাবাসীকেও স্তব্ধ করে দিয়েছে।


More News Of This Category