শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
Headline :
তুরাগে জিয়াউর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ । বীরগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ করলেন- এমপি আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সাতবারের সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ । ঈদের ছুটিতেও রংপুরে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৩। চিলমারীতে “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও ব্রহ্মপুত্র নদ-রক্ষায়” স্থানীয়দের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন। মিরসরাইতে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ইউছুফ কুটিরে মিরসরাই ১ আসনের এমপি নুরুল আমিন। কবির মেম্বারের শতবৎসর বয়সী দাদির মৃত্যুতে এলাকাবাসীর শোক প্রকাশ। লালমনিরহাটে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন: হাজারো দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু জার্মানির একটি আদালতে বিচারকাজ চলছে। হঠাৎ পকেট থেকে পিস্তল বের করে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো আসামীকে গুলি করে বসেন দর্শকদের সারিতে বসা এক নারী।

চিলমারীতে “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও ব্রহ্মপুত্র নদ-রক্ষায়” স্থানীয়দের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন।

Update : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি, বাংলার সংবাদ।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “চিলমারী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক” নিহারিকা শারমিন দিপির সভাপতিত্বে ব্রহ্মপুত্র নদে অবৈধ বালু উত্তোলন ও অনিয়ন্ত্রিত ড্রেজিং বন্ধ, নদী ভাঙন রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০শে মে) সকাল সাড়ে ১১টায় দিকে “উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাট বাঁধের মোড়ে” এলাকার সচেতন তরুণ সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
‘মানববন্ধনে কয়েক’শ নারী-পুরুষ অংশ গ্রহন করেন। ‘নদী ভাঙনে তীরের মানুষ কাঁদে আর বালু দস্যুরা টাকার পাহাড় বাঁধে’, ‘বাপ-দাদার ভিটা বাঁচান, রাণীগঞ্জবাসী রুখে দাঁড়ান’সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার- ফেস্টুন হাতে নিয়ে তারা অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।’
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিং পরিচালিত হওয়ায় নদীর স্বাভাবিক গতি প্রকৃতি ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদী ভাঙনের ঝুঁকিও বেড়ে গেছে। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। ইতোমধ্যে হাজার হাজার পরিবার নদীর গর্ভে জমি ও ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান তারা।
মানববন্ধন থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে, (১) অবিলম্বে ব্রহ্মপুত্র নদে অবৈধ বালু উত্তোলন ও অনিয়ন্ত্রিত ড্রেজিং বন্ধ, (২) প্রশাসনের জব্দ করা বালু ২০০৯ সালের মোবাইল কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত অপসারণ এবং পরিবেশ সম্মত নদী খনন নিশ্চিত করা। (৩) কাঁচকোল থেকে ফকিরের হাট পর্যন্ত স্থায়ী ও টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, (৪) টি-বাঁধ, পিসি ব্লোক ও জিও ব্যাগসহ নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। (৫) নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর পুনর্বাসন। (৬) সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দাবি জানানো হয়েছে। এ সময় বক্তব্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘নদীকে ধ্বংস করে কোন উন্নয়ন হতে পারে না। অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক চরিত্র নষ্ট হচ্ছে। নদীর তীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতভিটা আজ হুমকির মুখে। জনস্বার্থে এসব কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, ফকিরের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, সফলতার শিকড় ফাউন্ডেশনের কার্যকরী সদস্য শাহজামাল, কার্যকরী সদস্য আশিক ইকবাল, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম রতন, খন্দকার বদরুল ইসলাম রাজু, সোহেল রানা, ব্যবসায়ী মুকুল মন্ডল ও ভুক্তভোগী পরিবার আকতার লিপিসহ আরও অনেক উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। পরে মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি স্থাপনা ভেঙে দেন। এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে তাদের কার্যক্রম শেষ করেন।


More News Of This Category