শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline :
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ- প্রতিশ্রু জনসেবারতিতে এগোচ্ছেন বুলু, ঢাকা যাত্রাবাড়ী: আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা, প্রমাণ সাংবাদিকের কাছে। *রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জুয়েল রানার লড়াই*। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংস্কার করতে চায় সরকার- তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী গজারিয়ায় তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে জনদুর্ভোগ চরমে, পাম্পে দীর্ঘ লাইন আমরা মানবতার সেবক, সেবাই আমাদের পরিচয়- এ. এস. মাসুদুল করিম মাসুদ জমির মাটি কাটা বন্ধে অভিযান, জরিমানা আদায় : ডেকু জব্দ জমির মাটি কাটা বন্ধে অভিযান, জরিমানা আদায় : ডেকু জব্দ ভোটের অধিকার বাস্তবায়ন কারা করেছিল লক্ষ্য করুন তিনি হইলেন জনাব এডভোকেট এ এন এম ঈসা সাবের নেতৃত্বে তিনি একজন দেশ বন্ধু দেশপ্রেমিক লোক।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব, ঢাকা, বাংলাদেশ
তারিখ: ০৭/০৪/২০২৬
শিরোনাম: নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও বিদ্যুৎ সংকটে দিশেহারা সাধারণ মানুষ
মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার গিয়াস নগর ইউনিয়ন এলাকার গিয়াস নগর বাজার থেকে দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার এক করুণ চিত্র উঠে এসেছে।
গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় গিয়াস নগর বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ সিরাজ টেলার-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি তার দীর্ঘ ৩৫ বছরের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে একবার তিনি প্রবাসে টেইলারিং কাজের ভিসা নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন মাসের মধ্যে দেশে ফিরে আসেন।
তার ভাষায়, “বাংলাদেশে যে মানসিক শান্তি পাই, তা প্রবাসে পাইনি। তাই সবকিছু ছেড়ে দেশে ফিরে আসি।”
তবে বর্তমানে সেই শান্তি আর খুঁজে পাচ্ছেন না বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। দিনমজুর, নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত এমনকি স্বচ্ছল পরিবারগুলোর জীবনযাত্রাও কঠিন হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের পক্ষে খাবার সংস্থান করাও এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমি একজন ব্যবসায়ী হয়েও প্রতিদিন প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা আয় করি, তারপরও সংসার চালাতে হিমশিম খাই। তাহলে যারা দিন আনে, তারা কীভাবে জীবনযাপন করবে?”
এর পাশাপাশি তিনি প্রশাসনিক নির্দেশনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল ৪টার দিকে মাইকিং করে জানানো হয়েছে যে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে, যা জেলা প্রশাসনের নির্দেশ। এতে ব্যবসায়ীরা আরও বিপাকে পড়েছেন।
তিনি বলেন, “দোকান বন্ধ করে বাসায় গেলেও শান্তি নেই। কারণ বাড়িতে গেলে দেখি বিদ্যুৎ থাকে না। সারাক্ষণ লোডশেডিং চলছে। এই সমস্যার কারণ আমরা বুঝতে পারছি না।”
স্থানীয়দের মতে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একদিকে আয়ের অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে বিদ্যুৎ সংকট—সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এমন পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category