শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
Headline :
১৫ নভেম্বরের মধ্যেই মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট লাগানো বাধ্যতামূলক পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের নীলাভূমি নাগেশ^রীর ডাকনিরপাট পদ্মবিল প্রথম স্ত্রীর কথা জানার পরিণতি, পরিকল্পিত হত্যার শিকার শিকলবাহার জান্নাতুল পানছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল মহপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ বিয়ের আগের দিনই বরের মৃত্যু: গাইবান্ধায় আনন্দ ঘেরা দুই পরিবারে হঠাৎ শোকের ছায়া কালভার্ট আছে, সড়ক নেই: নীলফামারীতে দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের চরম ভোগান্তি রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। বীরগঞ্জে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

দিঘলিয়ার বারাকপুর খেয়াঘাটে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই টোল আদায়ের অভিযোগ।

Update : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা, বাংলার সংবাদ।

খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর খেয়াঘাটে চলতি মে মাসে বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার না থাকলেও টোল আদায় চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘাটটির ইজারা সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতার সুযোগে বর্তমানে দুইটি পক্ষ পাল্টাপাল্টি টোল আদায় করছে। এতে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মাঝে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বারাকপুর খেয়াঘাটে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পারাপার হয়ে থাকে। তবে মে মাসের জন্য নতুন কোনো বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার বা ইজারা অনুমোদনের কাগজপত্র প্রকাশ না হলেও ঘাটে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সকালে এক পক্ষ টোল আদায় করলে বিকেলে আরেক পক্ষ এসে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ দাবি করে টাকা আদায় করছে। এ নিয়ে মাঝে মধ্যেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে না চাইলেও তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী বলেন,
“আমরা বুঝতে পারছি না কাকে টাকা দেবো। একপক্ষকে টাকা দিলে পরে আরেকপক্ষ এসে আবার টাকা দাবি করে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বের ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও নতুনভাবে ওয়ার্ক অর্ডার অনুমোদন হয়নি। অথচ সেই সুযোগে কিছু ব্যক্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ স্পষ্ট বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে একটি পক্ষ দাবি করেছে, তারা পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘাট পরিচালনা করছে। অপর পক্ষের দাবি, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তারাই বৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

এদিকে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া কীভাবে প্রকাশ্যে টোল আদায় চলছে এবং প্রশাসন কেন এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে বৈধতা যাচাইসহ অবৈধ টোল আদায় বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।


More News Of This Category