সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় রাবেয়া বেগমের পাশে সাঘাটার মানবিক ইউএনও মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। দিনাজপুর বীরগঞ্জে ১০ নং মহনপুর ইউনিয়নে সেনপাড়া হরিবাসরে জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘অক্টাগন’ উদ্বোধন করল মিশর জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান,  প্রতিনিধি মিশর।দৈনিক বাংলার সংবাদ।  খুলনা রেঞ্জে নতুন ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান দৈনিক বাংলার সংবাদ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় রাবেয়া বেগমের পাশে সাঘাটার মানবিক ইউএনও মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা মফস্বল প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত (দৈনিক বাংলার সংবাদ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা ) মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের ফুটবল দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হামিদুর রহমান পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:৫ জুলাই/২৬ নেতাকর্মীদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই – ওবায়দুল কাদের বহুগুণে গুণান্বিত ঝালকাঠিতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক আনিছুর রহমান

মানবতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার প্রত্যয়ে জামালপুরের বকশীগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদের কনফারেন্স রুমে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান এ কে এম নুরুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— মোঃ আসাদুজ্জামান জুয়েল, সভাপতি (ঢাকা বিভাগ) ও সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটি ও মুন্নি আক্তার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি। মাওলানা মোঃ শাহজালাল, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখা। মোঃ আব্দুল হক মাস্টার, সহকারী শিক্ষক, কলকিহারা বাঘাডুবি দাখিল মাদরাসা। এবং মোঃ মাসুদ বকশী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সহ-সভাপতি, বকশীগঞ্জ পৌর বিএনপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশ বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসিফ খন্দকার এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মোঃ সহিদুল আলম রুপন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষক সমাজ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কে এম নুরুল আমিন বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, “হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশ সবসময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আসিফ খন্দকার বলেন, বকশীগঞ্জে মানবাধিকার কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সঞ্চালকের বক্তব্যে মোঃ সহিদুল আলম রুপন বলেন, সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে তরুণদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করা জরুরি। তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তারা হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের এ ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

শেষে উপস্থিত সবার মধ্যে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে এক আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


More News Of This Category

পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ০২ জন অভিযুক্ত মামলার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা মোঃ সোহেল রানা র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), উভয় থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।