মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
Headline :
লালমনিরহাটে এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার ফলাফলে ব্যাপক ধস,জনমনে উঠেছে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন। আহমুদুল হাসান, স্টাফ রিপোর্টার, লালমনিরহাট শিরোনাম- আমি নারী আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যুদ্ধা সংসদের সদস‍্য সচিব এমএ রউফের তনয়া তাহরিন রানিছা রউফ এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়ায় অভিনন্দন হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ গজারিয়ায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি, ১৫ লাখ টাকার ডাকাতি মোঃ দুলাল সরকার গজারিয়া প্রতিনিধি বাংলাদেশ: জুলাইয়ের আগে ও পরে ড. শেখ আকরাম আলী Hacked By Tempix 0day দি আরামকোর শিল্প অগ্নিনির্বাপণ কোম্পানির জাজান শোধনাগারের একটি স্থাপনায় লেগে যাওয়া আগুন নিয়ন্ত্রণে জানিয়েছে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়। মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি। পঞ্চগড়ে OMS ও ত্রাণের চাল বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ এসএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ বিভাগে পাশের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ, জিপিএ ৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থী ৫,৭০০ মকবুল হোসেন, সিনিয়র রিপোর্টার

পঞ্চগড়ে OMS ও ত্রাণের চাল বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ

Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদন :
পঞ্চগড়ে সরকারি খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রির (OMS) কার্যক্রমে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চালান বা ডিও ছাড়াই গুদাম থেকে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল সরিয়ে নেওয়া, নির্ধারিত সংখ্যার অতিরিক্ত ডিলার নিয়োগ এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার পঞ্চগড় জেলা খাদ্য গুদামের সামনে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল কোনো বৈধ চালান বা ডিও ছাড়াই ভ্যান ও পিকআপে করে গুদাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ সময় একটি পিকআপে প্রায় ৭০ বস্তা এবং একটি ভ্যানে প্রায় ৩০ বস্তা চাল নেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।

চাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুদাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পঞ্চগড়ে OMS ডিলারের সংখ্যা ৫ জন থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৯ জন ডিলারের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রত্যেক ডিলারকে ৫০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের দোকানের ব্যানারেও সরকারি নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। ব্যানারে ৫ কেজি চাল ও ৩ কেজি আটা বিক্রির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার কথা থাকলেও অনেক ডিলার দুপুর ১২টার মধ্যেই ‘চাল শেষ’ বলে দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চাল না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।

একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, তারা সকাল ১০টার দিকে এসে লাইনে দাঁড়ালেও দুপুর ১২টার আগেই তাদের জানানো হয় চাল শেষ হয়ে গেছে। তবে তাদের দাবি, গুদাম বা দোকানের ভেতরে চাল থাকার পরও তাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রমে এসব অনিয়মের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


More News Of This Category