মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
সাঘাটায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার। মশক নিধনে ডিএসসিসির মাসব্যাপী বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু; থাকছে চার স্তরের তদারকি ঢাকা, ১ মার্চ ২০২৬ রবিবার। ভোলাহাট সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১। তানোর জুড়ে আম–লিচুর সোনালি মুকুলে সুবাসিত গ্রামবাংলা। রমজানকে ঘিরে উলিপুরে ব্যাপক বাজার মনিটরিং: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, সতর্কবার্তা প্রশাসনের। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। জাতীয় সংসদের হুইপ হলেন খুলনা-৩ আসনের এমপি রকিবুল ইসলাম বকুল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু তেরখাদায়’খাল খনন উদ্বোধনে এমপি হেলাল। মিডিয়র স্টিকার লাগিয়ে নরসিংদীর শিবপুরে গরু চুরি। মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত।

বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: / ৬৫ Time View
Update : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা সদরের বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম শেখের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত স্মারকলিপি দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম শেখ (পিতা: আব্দুল গফুর শেখ, গ্রাম: কাজল ঢোপ, প্রধানপাড়া, ডাকঘর: বল্লমঝাড়, উপজেলা ও জেলা: গাইবান্ধা) সভাপতি নির্বাচনের সময় বিএসএস পাসের জাল সনদপত্র জমা দেন। দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রে নকল স্বাক্ষর ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ অভিযোগের সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ তাজ উদ্দিনের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা গোপনে সভাপতিকে সার্টিফিকেট জালিয়াতিতে সহযোগিতা করেছেন।

অভিযোগের মূল বিষয়সমূহ:
১. সভাপতি জাল বিএসএস সার্টিফিকেট ব্যবহার করে পদে বহাল রয়েছেন।
২. প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক জালিয়াতি কাজে সহায়তা করেছেন।
৩. কিছু শিক্ষার্থীর সনদ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সাথে মেলেনি।

অভিযোগকারী মোঃ এরশাদ আলম পুণ্য জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন—
“বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের জালিয়াতি রোধে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

সংযুক্ত প্রমাণ হিসেবে জাল সনদপত্র ও নকল স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category