আরমান হোসেন রাজু,রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ।
রংপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মহোদয়ের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব সুশান্ত চন্দ্র রায়ের সমন্বিত পরিকল্পনায় মিঠাপুকুর থানার একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তি ও সোর্সের মাধ্যমে মিঠাপুকুর থানার আলোচিত ক্লুলেস আবু সায়াদ হত্যা মামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ১। মোঃ সবুজ মিয়া (৩৯), পিতা-মৃত এছান পাইকাড়, সাং-ফুলচৌকি, থানা-মিঠাপুকুর, জেলা-রংপুর’কে ২০ মে, ২০২৬ খ্রি. ১১.৩০ ঘটিকায় অভিযুক্তের নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করে।
ধৃত অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করে। এছাড়া অভিযুক্তের দেয়া তথ্য ও দেখানোমতে তার বসতবাড়ী হতে ডিসিস্ট এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মামলার ঘটনায় ব্যবহৃত ধারালো চাকু এবং রংপুর মহানগর এলাকা হতে অভিযুক্তের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। জানা যায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধৃত অভিযুক্ত সবুজ, আবু সায়াদকে হত্যা করে।
উল্লেখ্য আবু সায়াদ ওরফে সাঈদ (৪১) কৃষিকাজের পাশাপাশি শাল্টিরহাট বাজারে গরুর দুধ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। গত ৭ মে, ২০২৬ খ্রি. মিঠাপুকুর থানাধীন ময়েনপুর ইউনিয়নের ধরধরা মোড় সংলগ্ন আম বাগানের পাশে আবু সায়াদ ওরফে সাঈদ এর গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
রংপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মহোদয় বলেন, “রংপুর জেলা পুলিশ চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও ক্লুলেস হত্যা মামলা উম্মোচনসহ বিভিন্ন অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করা হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ে থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার নিবিড় পর্যবেক্ষন অব্যাহত রয়েছে”।
উল্লেখ্য ধৃত অভিযুক্তকে মামলার ঘটনা সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলাটি তদন্তাধীন আছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হবে।