শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
Headline :
কোতয়ালী থানার সাঁড়াশি অভিযানে ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোরচক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার। ২৩ বছর পর খোঁজ মিলল ‘শানু আপার’ কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৩০২ নম্বর কক্ষের স্মৃতি, ফেসবুক পোস্টে মিলল ঠিকানা প্রধান মন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির স্বপনের সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ* মনোহরগঞ্জের ঝলম উওর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর আবদুল মান্নান সুমনের গণসংযোগ খাগড়াছড়িতে সম্প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ব্রিটিশের আতঙ্ক, সরাইলের গর্ব – বিপ্লবী উল্লাসকর দও। চিলমারীতে “আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০বছর” পূর্তি উদযাপিত হয়েছে আল্লাহ ছাড়া কেউ নাই আমি এম এ রউফ আপনারা সহ যোদ্ধা ভাই। রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবার লালমনিরহাটে ভেজাল মুগডাল বিক্রিতে জরিমানা, দুধের মান পরীক্ষায় সন্তোষজনক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া আলোর দিশারী আবুল হাসেম”

সাঘাটা হাসপাতালে জনবল সংকট, বাড়ছে দুর্ভোগ।

Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার একমাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটিতে তীব্র জনবল সংকটে রোগী ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। প্রতিদিন আশপাশের এলাকা ও চরাঞ্চল থেকে গড়ে ৫ থেকে ৭ শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে আসলেও সেই তুলনায় নেই প্রয়োজনীয় জনবল। ফলে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

আউটডোর ও ইনডোর মিলিয়ে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীর সঙ্গে স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার মানুষের ভিড় জমছে হাসপাতালে। অথচ এ বিশাল চাপের বিপরীতে জনবল রয়েছে হাতে গোনা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির মোট ৫১টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান সহকারী, একাউন্টেন্ট, স্যাকমো, স্বাস্থ্য সহকারী, কম্পিউটার অপারেটরসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদ রয়েছে। এছাড়া ওয়ার্ড বয়, আয়া, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট, ওটি অ্যাটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও নৈশপ্রহরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদও শূন্য।

জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালের পরিবেশেও দেখা দিচ্ছে অব্যবস্থাপনা। একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে পুরো হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক সময় নোংরা পরিবেশে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আব্দুল হালিম নামের এক রোগী বলেন, সকাল থেকে বসে আছি। লোকবল কম থাকায় সেবা নিতে দেরি হচ্ছে। আরেক রোগী রহিমা বেগম বলেন, ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছি, কিন্তু দেখভালের লোকবল কম। নিজের লোকজন নিয়েই সব করতে হচ্ছে।

এছাড়া হাসপাতালটিতে নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, মাঝে মাঝে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালের আসবাবপত্র হারানোর ঘটনাও ঘটছে। এদিকে, ওষুধের বরাদ্দ কম থাকায় অনেক রোগীকেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসপাতালটির আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার(আরএমও) মো. মেহেদী হাসান তন্ময় বলেন, জনবল সংকট থাকায় উন্নত সেবা দিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইলতুতমিশ আকন্দ বলেন, অর্ধশত শূণ্য পদ থাকায় সেবা বিঘ্নিতের খবর পাচ্ছি। জনবল চাহিদা দপ্তরে প্রেরণ করেছি। তবে এ পদগুলো পূরণ হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া না হলে সাঘাটা হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম আরও ব্যাহত হবে।


More News Of This Category