রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
Headline :
রূপসায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ওমর ফারুক. লালমনিরহাটে শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৮ টি যানবাহন থেকে ৮ হাজার ৯ শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ-বিপিএম মহোদয়ের পঞ্চগড় জেলা সফর: তেঁতুলিয়া মডেল থানা ও বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সুশীল সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় মধুপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ, ১৯ অক্টোবর সশরীরে হাজিরার নির্দেশ। কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন বেসরকারী অভিনেতা এবং স্থানীয় বাজার কর্তৃপক্ষের সাথে বাজার সংযোগের উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারী মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিক্সার চালকসহ ৫জন নিহত নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন বালিয়াকান্দিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দুবাই পুলিশের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি প্রবাসী। মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

Update : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সততা ও নৈতিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দুবাই পুলিশের সম্মাননা অর্জন করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ধলই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামাল সওদাগর বাড়ির সন্তান মুহাম্মদ রুকন উদ্দিন (৪৭)।
আলহাজ নোয়া মিয়া সওদাগরের পুত্র রুকন উদ্দিন প্রায় দুই যুগ আগে জীবিকার সন্ধানে দুবাইয়ে পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে চলাই তার জীবনের অন্যতম আদর্শ।
ঘটনাটি গত ১০ মে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে। কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে দুবাইয়ের নায়েফ এলাকার একটি সড়কে পড়ে থাকা ১৯ হাজার দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা) খুঁজে পান তিনি। বিপুল পরিমাণ অর্থ কুড়িয়ে পেলেও তা নিজের কাছে রাখার চিন্তা পর্যন্ত করেননি। এমনকি টাকা গুনেও না দেখে সরাসরি নায়েফ পুলিশ স্টেশনে গিয়ে জমা দেন।
পুলিশ স্টেশনে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা তার উপস্থিতিতেই অর্থ গণনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে রেকর্ডভুক্ত করেন এবং তার অসাধারণ সততার জন্য আন্তরিক প্রশংসা জানান।
এ বিষয়ে রুকন উদ্দিন বলেন, “টাকাগুলো কুড়িয়ে পাওয়ার পর এক মুহূর্তের জন্যও নিজের কাছে রাখার চিন্তা আসেনি। আমি পরিবারের কাউকেও তখন কিছু জানাইনি। পুলিশের হাতে টাকা বুঝিয়ে দিয়ে বাসায় ফেরার পর বিষয়টি জানিয়েছি। আমার শুধু মনে হয়েছে, যার টাকা হারিয়েছে সে যদি তার টাকা ফিরে পায়, তাহলে উপকৃত হবে।”
দুই সন্তানের জনক রুকন উদ্দিনের বড় ছেলে ষষ্ঠ এবং ছোট ছেলে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে। তিনি চান, তার সন্তানরাও সততা ও নৈতিকতার আদর্শে গড়ে উঠুক এবং সমাজের জন্য আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।
তার এই মহৎ ও দায়িত্বশীল কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দুবাই পুলিশ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা সনদ প্রদান করে। প্রবাসের মাটিতে একজন বাংলাদেশির এমন দৃষ্টান্ত শুধু ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং আমিরাতে বসবাসরত প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশির ভাবমূর্তিকেও আরও উজ্জ্বল করেছে।
সততা, মানবিকতা ও নৈতিকতার এই অনন্য উদাহরণের জন্য মুহাম্মদ রুকন উদ্দিনকে আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁর মতো মানুষরাই প্রমাণ করেন—সততাই মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়..


More News Of This Category