রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
বীরগঞ্জে বিয়েবাড়িকে কেন্দ্র করে গৃহবধূর ওপর হামলা, হাসপাতালে ভর্তি। তানোরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান। ৩১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘গ্রান কুভা’ নামক জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এসে পৌঁছেছে। আমি আপনাকে সাংবাদিকতা, মানবাধিকার এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারি। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ইছাখালীতে তসবিহ’র দানা গলায় আটকে দেড় বছর বয়সী শি যতশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শিক্ষা, সততা ও নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় মনোহরপুর ইউনিয়ন: চেয়ারম্যান পদে প্রফেসর মোঃ মঈনুল ইসলামের সম্ভাব্য প্রার্থিতায় জেগেছে উন্নয়নের স্বপ্ন। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বিগত সময়ের ধান্দাবাজ-সূবিদাবাজ ও চাঁদাবাজরা বহাল তবিয়তে থেকে চালিয়ে যাচ্ছে অপকর্ম। টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন টিপু, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম শারেক মনোনীত। মনোহরদীতে ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় ওসির গান পরিবেশন। সাংবাদিক সোলায়মান আলীর স্বরণে দোয়া ও শোকসভা অনুষ্ঠিত ।

শিক্ষা, সততা ও নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় মনোহরপুর ইউনিয়ন: চেয়ারম্যান পদে প্রফেসর মোঃ মঈনুল ইসলামের সম্ভাব্য প্রার্থিতায় জেগেছে উন্নয়নের স্বপ্ন।

Reporter Name / ৪ Time View
Update : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর:

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৭ নম্বর মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ইতোমধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, চায়ের দোকানে রাজনৈতিক আলোচনা এবং ভোটারদের সরব উপস্থিতিতে জমে উঠেছে পুরো জনপদ। আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম থেকে গ্রামে।
এই প্রেক্ষাপটে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন প্রফেসর মোঃ মঈনুল ইসলাম। শিক্ষিত, সৎ, পরিচ্ছন্ন ও দূরদর্শী ভাবমূর্তির এই মানুষটিকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ, আস্থা এবং আশাবাদী প্রত্যাশা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রফেসর মঈনুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়ে আসছেন। ২০০০ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডের
অধীনে বাণিজ্য বিভাগে দশম স্থান অর্জন তার একাডেমিক জীবনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। তখন থেকেই তিনি এলাকাবাসীর নজরে আসেন। এরপর ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার লেখা ইংরেজি গ্রামার বিষয়ক বই দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পাঠ্য হিসেবে ব্যবহার হয়, যা তাকে একজন জনপ্রিয় শিক্ষাবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নিজের প্রার্থিতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রফেসর মঈনুল ইসলাম বলেন, “আমি এই মাটির সন্তান। ছোটবেলা থেকেই মানুষের ভালোবাসা, স্নেহ আর সমর্থন পেয়েই বড় হয়েছি। এখন সময় এসেছে সেই ঋণ শোধ করার। আমি চাই মনোহরপুর ইউনিয়নকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যুব উন্নয়ন—এই চারটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করে মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।”
তার রাজনৈতিক জীবনও দীর্ঘ। অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন সময় থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে অভিজ্ঞতা অর্জন করে বর্তমানে ঢাকাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেও সক্রিয়। তবে তার ভাষায়, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ।”
প্রফেসর মঈনুল ইসলামের পারিবারিক পটভূমিও তাকে বাড়তি গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে। তিনি মনোহরপুর ইউনিয়নের প্রাক্তন মেম্বার মরহুম জবেদালী বিশ্বাসের কনিষ্ঠ সন্তান। এছাড়াও তিনি যশোরের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট জেমস আব্দুর রহিম রানা-এর চাচাতো ভাই।
ফলে পরিবার থেকেই তিনি সামাজিক নেতৃত্ব, মূল্যবোধ ও জনসেবার শক্ত ভিত পেয়েছেন বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সমর্থন ক্রমেই বাড়ছে।
এপ্রসঙ্গে মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আমরা একজন শিক্ষিত ও সৎ মানুষকে নেতৃত্বে দেখতে চাই। মঈনুল ইসলাম সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।”

খাকুন্দী গ্রামের তরুণ ভোটার সোহেল রানা বলেন, “এখন সময় পরিবর্তনের। শিক্ষিত ও আধুনিক চিন্তার মানুষ দরকার। তিনি নির্বাচিত হলে আমাদের ইউনিয়নে নতুন কিছু হবে।”

খাকুন্দি গ্রামের গৃহবধূ রাশিদা সুলতানা বলেন, “আমরা এমন একজন মানুষ চাই, যিনি আমাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন। মঈনুল ইসলাম সেই রকম একজন।”

স্থানীয় সচেতন ব্যক্তি ও স্কুল শিক্ষক মোঃ শাহিদুজ্জামান বলেন, “একজন শিক্ষাবিদ জনপ্রতিনিধি হলে উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত এবং টেকসই হয়। আমি বিশ্বাস করি, তিনি সেই যোগ্যতা রাখেন এবং সৎভাবে কাজ করবেন।”
সব মিলিয়ে মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রফেসর মোঃ মঈনুল ইসলামের সম্ভাব্য প্রার্থিতা এলাকায় নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। তার শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাকে ইতোমধ্যেই শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন পুরো মনোহরপুরবাসীর দৃষ্টি সেই দিকেই—এই প্রত্যাশা ও আস্থার প্রতিফলন তিনি কতটা বাস্তব উন্নয়নে রূপ দিতে পারেন, সেটিই সময় বলে দেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category