মোঃ নাজিউর রহমান রিজভী, নিউজ অ্যাডমিন, বাংলার সংবাদ।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল দীর্ঘদিন থেকে তাদের জনবল সংকট থাকার কারণে খুবই বিশৃঙ্খলভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ কোন নিয়ম ছাড়াই হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করতেছে।
যদি রোগি হয় গরিব তাহলে পড়ে থাকতে হয় মেঝেতে।কর্মকর্তা থেকে হরিজন পর্যন্ত টাকা ছাড়া কোন কাজ করতে চায় না তারা। অথচ মাস গেলে সরকারি বেতনে পকেট ভর্তি করছে এসব কর্মচারীরা। দালালে ভরপুর
এটা কি সরকারি হাসপাতাল,কার হাতে এ-র নিয়ন্ত্রণ! মাননীয় মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয় মন্ত্রী হয়েই লালমনিরহাটে সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করে, কঠোরভাবে সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদেরকে হুঁশিয়ারি করে বলেন কোন দুর্নীতি অনিয়ম যেন না হয়।কিন্তু কে শুনে কার কথা উনি বলে গেছেন ততটুক পর্যন্তই শেষ। সাংবাদিকরা তাদেরকে কোন কিছু বলতে গেলে সাংবাদিকদের পছন্দ করেন না, কৈফিয়ত দিতেও চান না সহজে, মুখ অন্ধকার করে কথা বলেন।বেশি কিছু বলতে গেলে কর্মকর্তারা বলেন আমাকে না হয় বদলি করে দিবে এর বেশি কিছু আর করতে পারবে না।আমাকে বদলি করলে অন্য হাসপাতালে যাবো। যেমনটি হয়েছে সদ্য বদলি হওয়া (আর.এম.ও)। তাহলে বোঝা গেল এনারা অনিয়ম করবেন, যেখানে বদলি হবে সেখানেও করবেন। আমি জানিনা এর সমাধান কি প্রশ্ন রয়ে গেল জনগনের কাছে ও মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়েরও কাছে? কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাধারণ জনগণ দাবি জানিয়েছে , লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল নিয়ে তদন্ত করে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার।