নিজস্ব প্রতিবেদক।
গত ১ মার্চ মাসুদ জামালী কে ত্রিশাল থানায় বদলী হলেও ক্ষমতার জোড়ে তিনি এখনো কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়িত্বে রয়েছেন।
ময়মনসিংহ ছাত্রলীগের নেতা শাওন হত্যার ৭ জন আসামীর মধ্যে দুইজনের প্ররোচনায় বাকী ৫ জন হত্যা করে যা চার্টশীটে উল্লেখ ছিলো, সেই মামলা তদন্ত অফিসার পরবর্তিতে ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সাবেক ) মোহাইমেনুর রশীদের হুকুমে চার্টশীট থেকে দুইজনের নাম বাদ দিয়ে পূনরায় আদালতে চার্টশীট জমা করে ।
এমন আলোচিত হত্যাকান্ডের সঠিক প্রতিবেদন সাবেক কোতোয়ালী মডেল থানার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম আদালতে প্রদান করলেও তিনি বদলী হওয়ার পরই এই মামলা থেকে তদন্ত অফিসার মূল আসামীকে বাদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । শাওন হত্যার সঠিক রহস্য ও চার্টশীট চান শাওনের সহপাটিরা । শাওনের বন্ধুমহল পুলিশকেই দায়ী করছেন এই বিষয়ে । কারন এখন গণতান্ত্রিক সরকার – শাওনের হত্যাকারীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যেমে সঠিক ব্যাক্তিরা যেন বাদ না পড়েন সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।