মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
Headline :
প্রতারক চক্র হইতে সাবধান। মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার চর বলাকী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঈদুল আজাহা শেষে মহাসড়কে বাড়ছে গাড়ির চাপ, ধীরে ধীরে ফিরছে নানা কর্মজীবী মানুষ। দুগ্ধ খাতকে শক্তিশালী করছে নারী খামারিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে । গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, আরেকজন মাদক সেবনে আটক। জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকীতে লালমনিরহাটে দোয়া ও খাবার বিতরণ। নিউইয়র্কে ‘অ্যল কাউন্টি হোমকেয়ার’র অষ্টম শাখা চালু করলো । দুলাভাইয়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে ঝরল তরুণীর প্রাণ, পুলিশ সদস্য আহত। ঈদকে কেন্দ্র করে মাদক পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ, ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ।

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার চর বলাকী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

মোঃ দুলাল সরকার গজারিয়া প্রতিনিধি,বাংলার সংবাদ।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

​আহতরা হলেন মুসা (৭০), সুমন (৩৫) ও জিকু (২৮)। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত সুমন ও জিকুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থক মুসার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক শহর আলীর বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার দুপুরে ঈদগাহ এলাকায় শহর আলীর সঙ্গে মুসার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পরই স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক উপজেলা যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থক যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন প্রধানের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে হোসেন্দী ইউনিয়ন বিএনপির ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয় এবং অন্তত পাঁচটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুসা বলেন, ‘আপনারা জানেন, গত কয়েক মাস আগে শহর আলী এবং তার ছেলে আমাকে মারধর করেছিল। আজ দুপুর ১২টার দিকে ঈদগাহ এলাকায় আমার সাথে শহর আলীর দেখা হয়। আমি তার কাছে বিষয়টির মীমাংসার ব্যাপারে জানতে চাইলে আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। শহর আলী নিজেকে বিএনপি বলে দাবি করলেও সে মূলত যুবলীগ নেতা নাজমুল হোসেনের লোক।’

যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘স্থানীয় যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় আমাদের পার্টি অফিসসহ আমার বসতঘর এবং নুর ইসলাম, ইকবাল হোসেন, শুক্কুর আলী ও জিকুর ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। দুই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালায়।’

​তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আনোয়ার হোসেনের লোকজন বিনা উস্কানিতে আমাকে ধাওয়া ও মারধরের চেষ্টা করে। পার্টি অফিস ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তারা নিজেরাই নিজেদের ঘরবাড়ি ও কার্যালয় ভাঙচুর করে দায় আমাদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এটি কোনো দলীয় বিরোধ নয় বরং ব্যক্তি কেন্দ্রিক সমস্যা।’


More News Of This Category