রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
Headline :
বালিয়াকান্দিতে স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা গংগাচড়ায় সোনার দামে বালু, থমকে গেছে উন্নয়ন, উপজেলা প্রশাসন নিরব। বিপাকে কৃষক ও ঠিকাদার এম লিখন সরকার । গংগাচড়া (রংপুর প্রতিনিধি) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তুরাগবাসীসহ দেশবাসীকে আব্দুর রহমান বুলুর শুভেচ্ছা ঢাকায় নিখোঁজ চাঁদপুরের কলেজছাত্রী নাজমা আক্তার, রহস্যময় বার্তায় দুর্ঘটনার দাবি জেমস আব্দুর রহিম রানা, নিজস্ব প্রতিবেদক আদিতমারীতে পুকুরে ডুবে কিশোরীর মৃত্যু, রংপুর ফায়ার সার্ভিসের সফল অভিযান। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগ ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ ও সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে মিরপুরে জরুরি সভা বিশেষ প্রতিনিধি : নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলার সংবাদ: গোবিন্দগঞ্জে মামলায় গ্রেপ্তার চাঁদমিয়া-মাহাবুরের মুক্তি দাবি। পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন, পুনঃতদন্তের দাবি। গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে রত্নাই সড়ক সেতুর উদ্বোধন করলেন—ত্রাণমন্ত্রী দুলু। লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা তফাজ্জল হোসেন খাঁনকে সংবর্ধনা দিয়েছে জেএসএফ-শত বাংলাদেশ হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

ব্যাঙের ছাতার মতো অনুমোদনহীন ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র,বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনার ঝুঁকি

রোকন বিশ্বাস-পাবনাঃ
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

রোকন বিশ্বাস-পাবনাঃ

পাবনায় ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো গজিয়ে উঠছে ব্যাঙের ছাতার মতো। অথচ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটি)-এর তথ্য অনুযায়ী, পাবনায় মাত্র দুটি অনুমোদিত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে—ইছামতী এবং অগ্রণী।

এই দুটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বিআরটি’র অনুমোদনপ্রাপ্ত আর কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পাবনার বিভিন্ন উপজেলায় বহু অনুমোদনহীন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে, যেখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

সুজানগর উপজেলার পদ্মা ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টারের মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি ২০ দিনের মধ্যে একজন চালক তৈরি করেন এবং তার বিনিময়ে ৮,০০০ টাকা নেন। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, প্রশিক্ষণের মেয়াদ কত দিন, তিনি বলেন ৩০ দিন।

আর অনুমোদনের কথা জিজ্ঞাসা করতেই স্বীকার করেন, তার প্রতিষ্ঠান বিআরটি’র কোনো অনুমোদন নেয়নি। অথচ প্রথমে তিনি দাবি করেছিলেন, তার প্রতিষ্ঠানে অনুমোদন রয়েছে। এরপর প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমরা কি আর ক্যামেরায় কথা বলতে পারি?” বলেই গাড়ি স্টার্ট দিয়ে দ্রুত সরে পড়েন পাবনা বাসটার্মিনাল এলাকা থেকে।

আরও পড়ুনঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পবিত্র জন্মভূমিতে গণহত্যার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংগঠন

আটঘরিয়া, একদন্ত, সুজানগরসহ বিভিন্ন স্থানে আরও ৮-১০টি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রশিক্ষণ গাড়ি দেখা গেছে, যেগুলোর বেশিরভাগই অনুমোদনহীন। কিছু প্রশিক্ষক পেশাদার না হয়ে নিজেরাই অনভিজ্ঞ বা হেলপার থেকে চালক হয়েছেন।মুনসুর আলী ডিগ্রী কলেজের সামনেই মা-ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টারের অফিস দেখা গিয়েছে সাধারণ একটা টিন দিয়ে ঘেরা দোকানের মত।

ফলে তৈরি হচ্ছে অদক্ষ চালক, যারা নিয়ম-কানুন না মেনে রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কোচের হেলপার দুই-চার দিন চালকের পাশে থেকে কিছুটা অভিজ্ঞতা নিয়ে গাড়ি চালানো শুরু করে দেন। পরে তারাই হয়ে ওঠেন হাইওয়ে রোডের ‘চালক’। এসব ‘প্লাস্টিক চালক’ রাস্তায় নামলেই ঘটে দুর্ঘটনা।
সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ পড়ছে ঝুঁকিতে।

বিআরটি পাবনা সার্কেলের কর্মকর্তা আলতাব হোসেন বলেন,আমরা এসব অবৈধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবো।কেউ যদি সঠিকভাবে অনুমোদন নিয়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালাতে চায়,আমরা তাকে সহায়তা করবো।

দক্ষ চালক তৈরি করতে হলে অনুমোদিত ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি। তা না হলে সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হবে না।


More News Of This Category