বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার আর নেই, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন।।

Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

#বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার আর নেই, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন।।
মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক বাংলার সংবাদ স্টাফ রিপোটার,,
চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার। মৃত্যুকালে তিনি নিজ বাসভবন রাজশাহী শহরের শাহ মখদুম আবাসিক এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

আজ রোববার (১১ অক্টোবর) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর রাজশাহী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বীর সন্তানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

#সংক্ষিপ্ত_জীবনী_ও_মুক্তিযুদ্ধে_অবদান:-

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার ১৯৩৮ সালের ১ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মৃত নয়ন মোল্লা মণ্ডল। তিনি স্থায়ীভাবে রাজশাহী জেলার সপুরা ডাকঘরের আওতাধীন শাহ মখদুম আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

১৯৬০ সালে দিনাজপুর জেলায় পুলিশ কনস্টেবল পদে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে তিনি দিনাজপুর পুলিশ লাইনে হাবিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২৫ মার্চের পর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন এবং তৎকালীন দিনাজপুরের এসপি আবুল হাশেম সাহেবের নেতৃত্বে পাকসেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নেন। তাঁর সাহসী ভূমিকার কারণে পাকসেনারা সৈয়দপুরে পলায়নে বাধ্য হয় এবং ১১ এপ্রিল পর্যন্ত দিনাজপুর শহর শত্রুমুক্ত থাকে।

পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল তিনি ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলায় চলে যান এবং ৭ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। এই সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান এবং লালগোলা সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর গিয়াস আহমেদ চৌধুরী।

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি অভয়া ব্রিজ অপারেশন, মহিষ কুড়ি অপারেশন, চর আলাতুলি ও দেবীনগর অপারেশন এবং নবাবগঞ্জের ১০০ ঘাটার যুদ্ধসহ একাধিক সম্মুখ যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় তাঁর নিজ কর্মস্থলে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে টি.এস.আই পদে কর্মরত থেকে অবসরে যান।

এই বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রয়াণে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রশাসন এবং বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।।


More News Of This Category