বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেই বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি করেছে ——এমএ আরাফাত হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীএবং
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহ কমিটির সদস্য এমএ আরাফাত সম্প্রতি একান্ত সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল আইবিএননিউজকে বলেছেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেই বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি করেছে। জনগণকে এখন ১৪.৫ শতাংশ বাড়তি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। তারপরও মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা জ্বালানির অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত চাকরি হারাচ্ছে। দেশে কেন দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে না, যুবসমাজের জন্য কোনো নতুন চাকরি তৈরি হচ্ছে না?
এছাড়াও দেশের অর্ধেক মানুষকে বাদ দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি একতরফা নির্বাচন হয়েছে এবং একটি একতরফা সংসদ গঠন করা হয়েছে, যেখানে বিরোধিতার নামে শুধু নাটক হয়। বিচার বিভাগকে নগ্নভাবে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। দলীয়করণ চরম সীমায় পৌঁছেছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শূন্যের কোঠায়। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের প্রতিনিয়ত দমন-পীড়ন করা হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতপন্থী লোকজন ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে থাকা বেশিরভাগ মানুষকে কোনো গণমাধ্যমে ডাকা হয় না।
এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া প্রকল্পগুলোর খরচ দ্বিগুণ-তিনগুণ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। যে হারে দুর্নীতি হচ্ছে, তার কানাকড়ি খবরও গণমাধ্যমে আসে না।
দেশ না পেল গণতন্ত্র, না পেল অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন, না পেল আইনের শাসন, না পেল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। অন্যদিকে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতার পরিবর্তে পেল টিকার অভাবে হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু, সারা দেশে লোডশেডিং এবং অদক্ষ অর্বাচীনদের হাতে দেশ শাসন।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে জঙ্গি, জামায়াত, স্বাধীনতাবিরোধী এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অন্ধ আওয়ামী লীগবিরোধীরাই সমস্যায় ছিল। এই গোষ্ঠী হয়তো এখন ভালো আছে, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ কি ভালো আছে?
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মানুষ কেমন বাংলাদেশ পেল তাহলে?