বসন্তের আগমনে ফাগুনের ফুল
-রফিকুল ইসলাম ভুলু
ফাগুনে আগুন ঝড়ে
রঙ-বে রংয়ের ফুলের ঐ আবরণে,
হৃদয় জুড়ানো আর চোখ ধাঁধানো
ফুলের ঐ সৌন্দর্য বরণে।
ফাগুনের মৃদু বায়ুতে ছড়িয়ে পড়ে বসন্তের
নানা বর্ণের ফুলের ঐ মনোমুগ্ধকর সৌরভের।
তাইতো অলিদের আলিঙ্গনে
কলিরা ফুলের রঙ ছড়ায়
ভালোবাসা জাগ্রত হয় মনের দরজায়,
প্রেমময় আনন্দে জীবনের ব্যাকুলতায়
স্বপ্নের এই সোনার বাংলায়।
হৃদয় আবেগে আপ্লুত হয়ে এবং
স্বাধীন চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে
বাঙালি জাতি গেয়ে যায়
জয় বাংলার জয়োগান।
“হায়রে আমার মনমাতানো দেশ”
“আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি”
“এই পদ্মা এই মেঘনা, যমুনা সুরমা” নদীর মোহনায়।
ফাগুনের ফুলের সৌন্দর্য আর সু-বাসনায়
মনের জাগরণে সঙ্গীতের মূর্ছনায়,
জেগে ওঠে হৃদয় স্পন্দনে দেশপ্রেমের ভাবনায়
আবেগ উদ্দীপনা ও শিষ্টাচার আর আবিষ্কারের অনুপ্রেরণায়।
জানিনা-সেকি আজ হারিয়ে যাচ্ছে-
বাঙালি জাতির কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অস্তিত্ব থেকে?
কোনো এক অশুভ শক্তির প্রভাব বলয়ে?
মানুষের মহত্ত্বের ভালোবাসায় সৃষ্টি হয়
স্নেহ ও মায়া মমতা এবং মানবতার,
আর কৃষ্টি ও সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ঐতিহ্যের আবেগ বিহীন
মানুষের মনে জাগ্রত হয় পশুত্বের আচরণ ও হিংস্রতার।
আর সেখান থেকেই বঞ্চিত হয়
পৃথিবীর সৌন্দর্য এবং
আনন্দ উপভোগের মনো-বাসনার।
ফাগুন আসবে, ফুল ফুটবে
প্রকৃতির নিয়ম ধারায়,
কিন্তু মানুষ বিদায় নিবে সময়ের ব্যবধানে
এ-বসুন্ধরা থেকে আপন মহিমায়।
তাই করণীয় হলো ভালো কিছু রেখে যাওয়া,
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের চাওয়া পাওয়ার।
বসন্ত বয়ে আনুক তার নিয়ম ধারায়
ফাগুনের রক্তঝড়া ফুলের বারতায়,
হৃদয় স্পন্দনে জাগ্রত হোক
প্রেমময় ভালোবাসার হৃদয়তায়।
আর দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধের অস্তিত্ব রক্ষায়,
বসন্তের ফাগুনে ফুল ফুটুক আপন মহিমায়।