শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline :
পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের নীলাভূমি নাগেশ^রীর ডাকনিরপাট পদ্মবিল প্রথম স্ত্রীর কথা জানার পরিণতি, পরিকল্পিত হত্যার শিকার শিকলবাহার জান্নাতুল পানছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল মহপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ বিয়ের আগের দিনই বরের মৃত্যু: গাইবান্ধায় আনন্দ ঘেরা দুই পরিবারে হঠাৎ শোকের ছায়া কালভার্ট আছে, সড়ক নেই: নীলফামারীতে দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের চরম ভোগান্তি রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। বীরগঞ্জে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সমাজ কল্যাণ পরিষদ — মানবতার সেবায়, প্রবাসীর অধিকার রক্ষায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ একজন সজ্জন ও পেশাদার কর্মকর্তা, যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা ১,০০০টি ট্রলি দেবে – অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা. Bangladesh Airport Safety Campaign UK এবং International Remittance Juddah Shonshod-এর প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক.

“ব্যক্তিকে দোষারোপ নয়, বিমানবন্দরের মূল সংকট সমাধানে আমাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত” —
লন্ডন/ঢাকা, ২ অক্টোবর ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ সম্পর্কে Bangladesh Airport Safety Campaign UK এবং International Remittance Juddah Shonshod-এর প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেছেন, তিনি একজন সজ্জন, ভদ্র ও পেশাদার কর্মকর্তা। সাম্প্রতিক সময়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তার যে উত্তেজনাপূর্ণ বাকবিতণ্ডা হয়েছে, তা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।
সরকারি নথিতে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বর্তমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন,
“আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ একজন ভালো মনের মানুষ এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। সাম্প্রতিক যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে তাকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা ঠিক হবে না। তিনি অনেক বড় একটি ব্যবস্থার মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংবাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং তার বিরুদ্ধে হুমকি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে মামলা হয়েছে এবং পুলিশ সিসিটিভি, সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ যাচাই করে তদন্তের কথা জানিয়েছে।
রাগীব সামাদের সংযম প্রশংসনীয়
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন, প্রচণ্ড উত্তেজনার মধ্যেও গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ শান্ত থাকার চেষ্টা করেছেন এবং পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সংবাদমাধ্যমেও তার এই সংযম ও পেশাদার আচরণের প্রশংসা এসেছে।
তিনি বলেন,
“একজন সরকারি কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় শক্তি সবসময় ক্ষমতা নয়, অনেক সময় ধৈর্য। আমি যেটুকু দেখেছি, তিনি উত্তেজনার জবাব উত্তেজনা দিয়ে দেননি। এটি পেশাদারিত্বের পরিচয়।”
ট্রলি সংকটের বিষয়টি পুরোনো এবং বাস্তব
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ট্রলি সংকট নতুন নয়। জুন মাসে পরিস্থিতি সামাল দিতে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে মোট ২৫০টি ট্রলি এনে ঢাকায় যুক্ত করার কথা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। একই সময়ে নির্বাহী পরিচালক রাগীব সামাদ নিজেও স্বীকার করেছিলেন, একসঙ্গে অনেক ফ্লাইট অবতরণ করলে ট্রলি সংকট দেখা দেয়।
তিনি বলেন,
“এই সংকট নিয়ে আমি আগেও কথা বলেছি। আমার কাছে বিষয়টি শুধু অভিযোগের নয়, সমাধানের বিষয়। পাথরকে যত হাতুড়ি মারা হোক, সেখান থেকে রক্ত বের হবে না। তেমনি সীমিত সম্পদ দিয়ে একটি বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, তার সংগঠনের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের প্রবাসীদের সহযোগিতায় বিমানবন্দরে ১,০০০টি ট্রলি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় specification ও কারিগরি বিষয়ে আলোচনাও চলছে বলে তিনি জানান।
“সমস্যা একজন ব্যক্তির নয়, ব্যবস্থার”
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন,
“আমরা যদি শুধু একজন নির্বাহী পরিচালককে দায়ী করি, তাহলে মূল সমস্যাটি আড়ালে থেকে যাবে। ট্রলি, লাগেজ ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা, জনবল, নিরাপত্তা এবং সমন্বয়—সবকিছু মিলিয়েই বিমানবন্দর পরিচালিত হয়।”
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটির সময়ও লাগেজ বিলম্ব ও ট্রলি সংকটের কারণে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার মতে, বড় প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মকর্তা যতই আন্তরিক হোন, পর্যাপ্ত জনবল, উপকরণ এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা না থাকলে তার পক্ষে সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব হয় না।
সমাজে পারস্পরিক সম্মানের সংকটও বিবেচনায় নিতে হবে
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন, বর্তমান সমাজে অনেক ক্ষেত্রেই শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান এবং কর্তব্যবোধ দুর্বল হয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন,
“আমরা এমন এক সামাজিক বাস্তবতার মধ্যে আছি যেখানে অনেক সময় সন্তান বাবা-মায়ের কথা শুনতে চায় না, ছাত্র শিক্ষকের কথা মানতে চায় না, তরুণরা মুরুব্বিদের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয় না। এই বড় সামাজিক সমস্যার ভেতরেই সরকারি কর্মকর্তা, যাত্রী, নিরাপত্তাকর্মী—সবাই কাজ করছেন। তাই উত্তেজনা নয়, সংযম ও সম্মানের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা দরকার।”
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এর অর্থ কোনো অন্যায়কে সমর্থন করা নয়।
“যাত্রীকে সম্মান করতে হবে, আবার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও সম্মান করতে হবে। অভিযোগ থাকলে আইনি ও প্রশাসনিক পদ্ধতিতে জানাতে হবে।”
ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন,
“যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মধ্যে গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদকে পড়তে হয়েছে, তার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং তার প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন,
“আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে ছোট করা নয়। আমরা চাই বিমানবন্দর আরও ভালো চলুক, প্রবাসীরা সম্মানজনক সেবা পান এবং দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারাও কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ পান।”
সমাধানের পথ
Bangladesh Airport Safety Campaign UK-এর পক্ষ থেকে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে: পর্যাপ্ত ট্রলি নিশ্চিত করা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা দ্রুত করা, যাত্রী অভিযোগের কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা, বিমানবন্দরের কর্মীদের পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়া এবং প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ চালু রাখা।
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন,
“আমি এখনো বিশ্বাস করি সহযোগিতার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। সরকার, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং প্রবাসীরা যদি একসঙ্গে বসে বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে কাজ করি, তাহলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।”
সবশেষে তিনি বলেন,
“গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী না করে আমরা মূল সংকটের দিকে তাকাই। পর্যাপ্ত ট্রলি, উন্নত লাগেজ সেবা এবং সম্মানজনক যাত্রী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।”
Advocate A. N. M. Essa
Founder & Chief Coordinator
Bangladesh Airport Safety Campaign UK
Founder & Convener
International Remittance Juddah Shonshod
M. A. Rouf
Founder Member Secretary
International Remittance Juddah Shonshod. roufnasrin@gmail.com
00974 66958035


More News Of This Category