নিজস্ব প্রতিবেদক।
মৌলভীবাজার সদর, ১০ নং নাজিরাবাদ ইউনিয়ন, আটঘর এলাকা বাসিন্দা প্রবাসী মোঃ শাহাজান মিয়া, পিতা রাজা মিয়া, মাথা কোশবা বেগম, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
শাহাজান মিয়া ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব, ঢাকা-এ সাক্ষাত দিয়ে জানিয়েছেন, ফেনী সদর থানার এক প্রতারক ইমরান হোসেন, পিতা অলিউল্লাহ, তার কাছে টাকা হাতিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে তিনি ইমরান হোসেনকে দেখেছিলেন ভালো প্রকৃতির লোক মনে হওয়ায় এবং তার প্রবাসী বন্ধুর সুপারিশে। তখন তিনি প্রয়োজনীয় সাহায্যের উদ্দেশ্যে ২ লক্ষ টাকা ইমরান হোসেনকে দেন।
পরবর্তীতে ইমরান হোসেন যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। বারবার চেষ্টা করার পর তিনি জানান, পুরো টাকা দিতে পারবেন না; পরে এক লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দেন, যা শাহাজান মিয়া গ্রহণ করেন। কিন্তু তিনি মাত্র ৮০ হাজার টাকা ফেরত পান এবং বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এখনও ফেরত পাননি।
শাহাজান মিয়া অভিযোগ করেছেন, ইমরান হোসেন ঢাকা মতিঝিলে নিজের ট্রাভেলসের আড়ালে প্রবাসীদের সঙ্গে প্রতারণা চালাচ্ছেন। তিনি একা নন; বহু পুরুষ ও মহিলার কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের শেষের দিকে পর্যন্ত বাকি টাকা ফেরত পাননি। প্রতারক ইমরান হোসেন শাহাজান মিয়াকে জানিয়েছেন যে, “অন্য বিদেশি লোকদের কাছ থেকে টাকা পেলে তাকে দিতে পারবে।” ফলে এখনও তার টাকা পরিশোধ হয়নি।
শাহাজান মিয়া অভিযোগ করেছেন, এই প্রতারক ইমরান হোসেন অন্যদের ট্রাভেলসের নাম ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। তিনি একজন প্রকৃত দালাল, অন্যের ট্রাভেলসকে তার বলে উপস্থাপন করে মানুষকে ধোকা দিয়ে দালালি করছেন।
শাহাজান মিয়া দাবি করেছেন, তার এবং অন্যান্য প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের টাকা ফেরত দেওয়া হোক এবং ফেনী সদর থানার আইন অনুযায়ী প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত সংবাদটি সত্যের সন্ধানের প্রতি নিবেদিত।
প্রকাশের তারিখ: ৫ এপ্রিল ২০২৬