বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
Headline :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তহারা দলের রূপনগর থানা আহবায়ক কমিটির সম্মেলন। মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড। গাবতলীতে জুয়া ও মাদক,ওয়ারেন্ট তামিল অভিযান পরিচালনা করে সাজা প্রাপ্তসহ১০ আসামীগ্রেফতার দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ ড্রেজার আটক, মামলা দায়েরের নির্দেশ। কবিতা কুমারী দেবী, কবি, মুহাম্মদ রাউফুল বরাত বাঁধন ঢালী। রাজাপুর অবৈধ ১৫ টি চায়নাদুয়ারি জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুই মাস বেতন না দিয়ে রাতের আঁধারে মাল সরানোর অভিযোগ: লালবাগে দা শানিন কর্পোরেশনের শ্রমিকদের বিক্ষোভ। দোয়া কামনা* প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা।

নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম তথ্য গোপন অনুদানের ৬০টি গরু গেল কোথায়

Reporter Name / ৫০ Time View
Update : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

নড়াইলের লোহাগড়ায় অনুদানের ৬০ গরু গেল কার গোয়ালে! নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, তথ্য গোপন ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে থাকা লোহাগড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মাসুম খানের বিরুদ্ধে।
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, জানা যায়, লোহাগড়া উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২,৮১২ জন। দেশীয় প্রজাতির মাছ, শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় লোহাগড়া উপজেলার ১২ ইউনিয়নে ও ১টি পৌরসভায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর (জেলে) মাঝে ৬০টি বকনা গরু বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা। ওই কর্মকর্তা কর্মসূচির তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ওই প্রকল্পের আওতায় লোহাগড়া উপজেলায় জেলেদের মাঝে ৬০টি বকনা গরু ও খাবার প্রদান করা হয়। কিন্ত এই বকনা গরু কাদের মাঝে বিতরণ করা হয়, সেই তথ্য উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মাসুম খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি তথ্য দিয়ে সহায়তা করেননি বরং তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট মৎস্য অফিসার মাসুম খান দাবি করলেও তার দফতরে বাছুর বিতরণের কোনো লিখিত নথি, তালিকা, গ্রহণপত্র কিংবা উপকারভোগীদের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে প্রকল্পটি আদৌ বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে বড় ধরনের প্রশ্ন।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের নামে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে বাছুর পৌঁছেনি। অনেকেই এটিকে পরিকল্পিত দুর্নীতি বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে।
লোহাগড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুম খান বলেন, ৬০টি বকনা গরু জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। আমার কাছে ৬০ জনের কোনো তালিকা নেই। তালিকা প্রজেক্টে জমা দিয়েছি। আমি আপনাদের কোনো তালিকা দিতে পারব না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
নড়াইল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আপনাদের কাছ থেকে শুনলাম। তবে তালিকা লোহাগড়া উপজেলা মৎস্য অফিসে থাকার কথা। কেন তিনি আপনাদের তালিকা দিচ্ছেন না আমি তার কাছে শুনে আপনাদেরকে জানাব।
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category