স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাইবান্ধা পৌর শহরকে জলাতঙ্কমুক্ত করার লক্ষ্যে বেওয়ারিশ কুকুরকে অ্যান্টি-র্যাবিস (জলাতঙ্ক প্রতিরোধী) ভ্যাকসিন দেওয়ার এক বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা পৌরসভার উদ্যোগে এবং জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় গত ১৬ মে ভোর ৬টা থেকে এই গণ-টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের প্রথম দিনে সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে টিকাদান কার্যক্রম চালানো হয়। প্রথম দিনেই এই ওয়ার্ডের প্রায় ২০টি বেওয়ারিশ কুকুরকে সফলভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। যেসব কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্পন্ন হচ্ছে, সহজে চেনার সুবিধার্থে তাদের শরীরে লাল রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর ফলে শহরবাসী সহজেই বুঝতে পারবেন কুকুরটি নিরাপদ ও ভ্যাকসিনের আওতাভুক্ত। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পর পর্যায়ক্রমে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডেই এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
সম্প্রতি জেলার সুন্দরগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই পৌরবাসীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে স্থানীয় প্রশাসন। এই টিকাদান ও তদারকি কার্যক্রম পুরো সপ্তাহজুড়ে চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কার্যক্রমের উদ্বোধনী সময়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ডিএলও), গাইবান্ধা পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সিরাজগঞ্জ থেকে আগত বিশেষায়িত টিকাদান (ভ্যাকসিনেটর) টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালীন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিক ও সেচ্ছাসেবক তুহিন দেওয়ান, আহাদ বাবু এবং পৌর গোরস্থান জামে মসজিদের ইমামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুরো প্রক্রিয়াটি সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, গত ১১ মে অনুষ্ঠিত এক গণশুনানিতে নাগরিক দুর্ভোগ ও জলাতঙ্কের ঝুঁকি এড়াতে বেওয়ারিশ কুকুরের ভ্যাকসিনের বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়েছিল। গণশুনানির পরপরই এমন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় গাইবান্ধা পৌরসভার প্রশাসক, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযান প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক ও সচেতন নাগরিক তুহিন দেওয়ান বলেন, “পৌরসভার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তবে ভ্যাকসিনের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। আমরা আশা করি, এই ভ্যাকসিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় যেন বুস্টার ডোজ বা পরবর্তী ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে এই জনবান্ধব উদ্যোগটি স্থায়ী রূপ পায়।”
স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাইবান্ধা পৌর শহরকে জলাতঙ্কমুক্ত করার লক্ষ্যে বেওয়ারিশ কুকুরকে অ্যান্টি-র্যাবিস (জলাতঙ্ক প্রতিরোধী) ভ্যাকসিন দেওয়ার এক বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা পৌরসভার উদ্যোগে এবং জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় গত ১৬ মে ভোর ৬টা থেকে এই গণ-টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের প্রথম দিনে সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে টিকাদান কার্যক্রম চালানো হয়। প্রথম দিনেই এই ওয়ার্ডের প্রায় ২০টি বেওয়ারিশ কুকুরকে সফলভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। যেসব কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্পন্ন হচ্ছে, সহজে চেনার সুবিধার্থে তাদের শরীরে লাল রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর ফলে শহরবাসী সহজেই বুঝতে পারবেন কুকুরটি নিরাপদ ও ভ্যাকসিনের আওতাভুক্ত। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পর পর্যায়ক্রমে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডেই এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
সম্প্রতি জেলার সুন্দরগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই পৌরবাসীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে স্থানীয় প্রশাসন। এই টিকাদান ও তদারকি কার্যক্রম পুরো সপ্তাহজুড়ে চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কার্যক্রমের উদ্বোধনী সময়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ডিএলও), গাইবান্ধা পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সিরাজগঞ্জ থেকে আগত বিশেষায়িত টিকাদান (ভ্যাকসিনেটর) টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালীন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিক ও সেচ্ছাসেবক তুহিন দেওয়ান, আহাদ বাবু এবং পৌর গোরস্থান জামে মসজিদের ইমামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুরো প্রক্রিয়াটি সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, গত ১১ মে অনুষ্ঠিত এক গণশুনানিতে নাগরিক দুর্ভোগ ও জলাতঙ্কের ঝুঁকি এড়াতে বেওয়ারিশ কুকুরের ভ্যাকসিনের বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়েছিল। গণশুনানির পরপরই এমন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় গাইবান্ধা পৌরসভার প্রশাসক, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযান প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক ও সচেতন নাগরিক তুহিন দেওয়ান বলেন, “পৌরসভার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তবে ভ্যাকসিনের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। আমরা আশা করি, এই ভ্যাকসিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় যেন বুস্টার ডোজ বা পরবর্তী ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে এই জনবান্ধব উদ্যোগটি স্থায়ী রূপ পায়।”