বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
Headline :
বগুড়া গাবতলীতে গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-৩ নাইচা’র এমপ্লয়ি এনগেজমেন্ট’ বিভাগ থেকে “বাংলাদেশি-আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন এ্যাট নাইচা”-কে দাপ্তরিক সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের কালো আইন পাস প্রতিবাদে ২০ এপ্রিল জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে প্রাক প্রস্তুতিমূলক সভা মৌলভীবাজার জেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় দিন দিন লোডশেডিং বেরিয়ে চলছে ভোগান্তি সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের। খুলনায় নতুন পুলিশ সুপার মো. তাজুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান পিবিআইতে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরযান চালক দল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন। টাঙ্গাইলে ভুঞাপুর থানার এসআই মোঃ লাল মিয়ার নামে হাইকোর্টে মামলা। জমি উদ্ধার, পাওনা টাকা আদায় ও আইনী সহায়তার প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে প্রতারণা”—ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন কাউন্সিলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। আইডি কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগে ‘দৈনিক বাংলার সংবাদ’: কথিত সাংবাদিক আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।

গরিবের পেটে লাথি, প্রভাবশালীদের স্থাপনায় নীরব বন বিভাগ

Reporter Name / ৬৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

উখিয়া–টেকনাফ সড়কের দুই পাশে বহাল অবৈধ দালান, উচ্ছেদ শুধু কৃষকের পানের বরজ

বিশেষ প্রতিনিধি: কামরুল ইসলাম

উখিয়া–টেকনাফ সড়কের দুই পাশে বন বিভাগের জায়গা দখল করে বছরের পর বছর ধরে গড়ে উঠেছে দালান, ভাড়া বাসা ও বহুতল অট্টালিকা। উখিয়ার পাতাবাড়ি, হাজামপাড়া, কুতুপালংসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালীদের এসব অবৈধ স্থাপনা প্রকাশ্যেই দাঁড়িয়ে থাকলেও বন বিভাগের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ে না।

বিশেষ করে কুতুপালং বাজার এলাকার অধিকাংশ জমিই বন বিভাগের আওতাধীন বলে জানা গেলেও সেখানে উচ্ছেদ অভিযান প্রায় নেই বললেই চলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের স্থাপনায় হাত না দিয়ে উল্টো দরিদ্র কৃষকদের ওপর অভিযান চালানো হচ্ছে।

এমন বাস্তবতায় কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে ধোয়া পালং রেঞ্জের জুমের ছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শতাধিক পানের বরজ উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব বরজ ছিল স্থানীয় দরিদ্র কৃষকদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। বছরের পর বছর ধরে ঘাম ঝরিয়ে, ধার-দেনা ও শেষ সম্বল দিয়ে তারা এসব পানের বরজ গড়ে তুলেছিলেন।

উচ্ছেদ অভিযানে মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায় কৃষকদের স্বপ্ন ও জীবিকা। অনেক পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, “বড় বড় দালান যাদের, তাদের কিছু হয় না। আমরা গরিব বলে আমাদের সব শেষ করে দেওয়া হলো।”

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—
বন রক্ষার নামে যদি অভিযানই চালাতে হয়, তাহলে তা কি সবার জন্য সমান হওয়া উচিত নয়? প্রভাবশালীদের অবৈধ দখল বহাল রেখে শুধুমাত্র গরিব কৃষকদের উচ্ছেদ কি ন্যায্য?

এ বিষয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

না হলে বন রক্ষার নামে এই একপেশে অভিযান সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর করবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category