*খানাখন্দে বেহাল সরাইলের ১৩ কিমি রাস্তা, চরম ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ।
তাছলিমা খন্দকার( নুশরাত) খন্দকার ( স্টাফ রিপোর্টার)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সরাইল শহীদ মিনার থেকে চুন্টা, অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়ন পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশুতারা, রসুলপুর, চুন্টা, অরুয়াইলসহ ৩০টিরও বেশি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার বেশিরভাগ অংশ খানাখন্দে ভরা। বর্ষায় কাদা আর শুকনো মৌসুমে ধুলোয় একাকার। ১৩ কিলোমিটারের মধ্যে রসুলপুর থেকে করাতকান্দি ২ কিমি এবং ভুইশ্বর থেকে অরুয়াইল ৩ কিমি বাদে বাকি ৮ কিলোমিটারই চলাচলের অনুপযোগী। লোপাড়া সেতু ও ব্রাহ্মণগাঁও কালীশিমুল সেতুর গোড়ার মাটি সরে গিয়ে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রাস্তা দিয়েই স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, রোগী, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই যানবাহন আটকে যায়। টেক্সি, সিএনজি, রিকশা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা এভাবেই কষ্ট করছি। কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। আমাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে পারে না, রোগী হাসপাতালে সময়মতো পৌঁছায় না।”
এলাকাবাসী দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
সরাইল শহীদ মিনার থেকে অরুয়াইলগামী রাস্তার বেহাল দশা। গর্তে ভরা রাস্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন”
সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় পরিণত হয় সরাইলের এই ১৩ কিমি রাস্তা। ভোগান্তিতে বিশুতারা, রসুলপুর, চুন্টার মানুষ”লোপাড়া সেতুর গোড়ার মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে”
এই বেহাল রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন স্কুলে যায় চুন্টা-অরুয়াইলের শত শত শিক্ষার্থী”