কুমেদপুর দারুল উলুম সালাফিয়াহ মাদরাসার মক্তব শিক্ষকের সম্মানি বহনের দায়িত্ব নিলেন হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীন
স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাইবান্ধা জেলার কৃতি সন্তান ও সমাজসেবক হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীন এক মহৎ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার এবং মাদরাসামুখী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি কুমেদপুর দারুল উলুম সালাফিয়াহ মাদরাসার সকালের মক্তবের একজন শিক্ষকের মাসিক সম্মানি নিয়মিতভাবে বহনের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।
জানা গেছে, মাদরাসাবিমুখ শিশু-কিশোরদের দ্বীনের সুশিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের মাঝে পবিত্র কোরআনের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার এ সিদ্ধান্তকে স্থানীয় আলেম-ওলামা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশে দাঁড়ান, তাহলে কোরআন শিক্ষার প্রসার আরও বেগবান হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন, হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীনের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। তার এ দান ও সহযোগিতা মাদরাসার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং শিক্ষার্থীদের কোরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করবে।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করেছেন। তারা প্রার্থনা করেন, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তার এই মহৎ দান কবুল করেন, একে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তার জান, মাল, পরিবার ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অশেষ বরকত দান করেন। একই সঙ্গে কুমেদপুর দারুল উলুম সালাফিয়াহ মাদরাসার সার্বিক উন্নয়ন ও এই উদ্যোগের সফলতা কামনা করেন।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সমাজে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং অন্যদেরও মানবকল্যাণে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করবে।
দারুল উলুম সালাফিয়াহ মাদরাসার মক্তব শিক্ষকের সম্মানি বহনের দায়িত্ব নিলেন হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীন
স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাইবান্ধা জেলার কৃতি সন্তান ও সমাজসেবক হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীন এক মহৎ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার এবং মাদরাসামুখী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি কুমেদপুর দারুল উলুম সালাফিয়াহ মাদরাসার সকালের মক্তবের একজন শিক্ষকের মাসিক সম্মানি নিয়মিতভাবে বহনের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।
জানা গেছে, মাদরাসাবিমুখ শিশু-কিশোরদের দ্বীনের সুশিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের মাঝে পবিত্র কোরআনের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার এ সিদ্ধান্তকে স্থানীয় আলেম-ওলামা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশে দাঁড়ান, তাহলে কোরআন শিক্ষার প্রসার আরও বেগবান হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন, হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীনের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। তার এ দান ও সহযোগিতা মাদরাসার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং শিক্ষার্থীদের কোরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করবে।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করেছেন। তারা প্রার্থনা করেন, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তার এই মহৎ দান কবুল করেন, একে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তার জান, মাল, পরিবার ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অশেষ বরকত দান করেন। একই সঙ্গে কুমেদপুর দারুল উলুম সালাফিয়াহ মাদরাসার সার্বিক উন্নয়ন ও এই উদ্যোগের সফলতা কামনা করেন।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সমাজে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং অন্যদেরও মানবকল্যাণে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করবে।