আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে আলোচনায় মেহেদী সিকদার রানা
নিজস্ব প্রতিবেদক: মিসেস চামেলী আক্তার প্রিয়া
আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী আমেজ দিন দিন বাড়ছে। সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে তরুণ সমাজসেবক মোঃ মেহেদী সিকদার রানা-কে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আলোচনা লক্ষ করা যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় তার গণসংযোগ, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা করা, এলাকার উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকা এবং তরুণদের নিয়ে ইতিবাচক কাজ করার কারণে তিনি ইতোমধ্যে অনেকের আস্থা অর্জন করেছেন। ফলে নির্বাচনী মাঠে তাকে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে দেখছেন অনেকে।
মেহেদী সিকদার রানা বলেন,
“আমি রাজনীতি করি মানুষের সেবা করার জন্য। যদি জনগণ আমাকে তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব। মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যেন শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বরং বছরের প্রতিটি দিন মানুষের পাশে থেকে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক, ড্রেনেজ, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার আড্ডায় চলছে নানা আলোচনা। সেই আলোচনায় মেহেদী সিকদার রানার নামও বারবার উঠে আসছে বলে জানান স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র দাখিল এবং ভোটগ্রহণের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়েই নির্ধারিত হবে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পরবর্তী কাউন্সিলর।
> সম্পাদনা নোট: “আলোচনায় শীর্ষে” বা জনপ্রিয়তার দাবি প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য জরিপ বা যাচাইযোগ্য তথ্য থাকলে তা উল্লেখ করা উত্তম। না থাকলে “আলোচনায় রয়েছেন” বা “স্থানীয়দের একাংশের মতে” ধরনের ভাষা ব্যবহার করা অধিক সাংবাদিকতাসঙ্গত।