নিজস্ব প্রতিবেদক।
২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন মেধাবী ও চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন দেশপ্রেমিক শহীদ হন। জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের সঙ্গে তাঁদের স্মরণ করছে। মহান আল্লাহ তাআলা যেন শহীদদের মাগফিরাত দান করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন—এই দোয়া করছি।
এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান। আমরা বিশ্বাস করি, পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত—তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্বে যারা ছিলেন, তাদের ভূমিকাও যথাযথভাবে পর্যালোচনা হওয়া জরুরি—যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর কখনো না ঘটে।
সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, সাহস ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। যে কোনো ষড়যন্ত্র, অপতথ্য বা বিভ্রান্তি থেকে দেশ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবেই আমরা দেশের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা সমুন্নত রাখবো—এই হোক আজকের অঙ্গীকার।
শহীদ সেনা দিবসে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
🇧🇩
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি
জনতার কথা বলে পার্টি