অপ্রতিরোধ্য দালাল সিন্ডিকেটের কবলে
ককসবাজার সদরের গাইনী ওয়ার্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক
ককসবাজার জেলা সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডেরের শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট এর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে দুর দুরান্ত থেকে আসা রোগী গুলো। জরুরি মুহুর্তে গাইনী রোগীরা ডেলিভারি সেবার জন্য আসলেও দিনের বেলা কিছু সিজারও নরমাল ডেলিভারি হলেও রাতের বেলা শুরু হয় রোগীদের হয়রানি। গাইনী ওয়ার্ড এর এমন অচলাবস্থা নিয়ে ইতি পুর্বেও বহু প্রতিবেদন হলেও কতৃপক্ষের টনক নড়ছে না। এনেস্থিসিয়া ডাক্তার সংকটের অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলা সিজার বন্ধ রয়েছে । সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে এনেস্থিসিয়া ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সংকটের অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই দালাল চক্রের মাধ্যমে রোগী ভাগানোটা ঢ়েন এখন নিয়মে পরিণত। অনুসন্ধানে উঠে আসে দালাল সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে সদর হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানোর বহু অভিযোগ। রাতের বেলা রোগী ভাগাতে সব চেয়ে দক্ষ দালাল সর্দার হলেন সেফালী, এক সময় সদরে অস্থায়ীভাবে কাজ করা রাজনৈতিক দলের দাপুটে এই সেফালীর বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করতো না হাসপাতালের কোন ডাক্তার কিংবা কতৃপক্ষের লোকও।হাসপাতালের ভেতরে বাহিরে রয়েছে তার বিশাল সিন্ডিকেট সদর হাসপাতাল থেকে বাহিরে নিয়ে অপারেশন করা রোগীদের একটা অংশ সেফালীর মাধ্যমে চলে যায় জড়িতদের কাছে এ ছাড়া রাজ, শিখা, রফিকসহ অনেকেই এই সিন্ডিকেট এ জড়িত।।রাত যত গভীর হয় রেফার তত বাড়ে প্রতি রাতে রেফার কিংবা চলে যেতে বাধ্য করা হয় কমপক্ষে ৫/৭ জন ডেলিভারি রোগীক। রাতের বেলা রেফার করা ডেলিভারি রোগীরা তখন বাধ্য হয়ে যেতে হয় পাশ্ববর্তী বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে যাওয়ার পথেই আগে থেকে উৎপেতে থাকা বিভিন্ন দালালরা রোগীদের ফুসলিয়ে নিয়ে যান তাদের সিন্ডিকেট ডাক্তারদের কাছে।তাদের এই অনৈতিক কাজে সদর হাসপাতালের গাইনী বিভাগের গাইনী চিকিৎসকের নাম উঠে আসে অনুসন্ধানে।