*অধ্যক্ষের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, ইমামদের নিয়ে মন্তব্যে প্রতিবাদ*
ইমামের দায়িত্বকে খাটো করা হয়েছে এলাকাবাসী
( দৈনিক বাংলার সংবাদ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা)
সরকারি নর্থ খুলনা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ *মনিরুল হক মন্টু*র একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
গতকাল দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লেখেন: _”যুক্তি খুঁজে পাই না – মুসল্লী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে পেট চালাতে পারে, একই সময়ে সম্পরিমাণ নামাজ পড়ানোর কারণে ইমামকে কেন বেতন দিতে হবে?”_
অধ্যক্ষের এই মন্তব্যকে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান মসজিদ ও ইমামদের মর্যাদাহানিকর বলে আখ্যায়িত করেছেন এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও সচেতন মহল।
*প্রতিবাদে যা বলা হচ্ছে*
এক প্রতিবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, _”সরকারি নর্থ খুলনা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল হক মন্টুর এমন মন্তব্যে আমরা গভীরভাবে হতাশ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান—মসজিদ ও ইমামের দায়িত্বকে এভাবে শুধু ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো’ দিয়ে মূল্যায়ন করা অত্যন্ত দুঃখজনক।”_
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, _”মন্টু সাহেব, ইমামদের দায়িত্ব ও মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে তাঁদের সমাজ ও ধর্মের প্রতি অবদানটা একটু ভাবুন। মত প্রকাশের অধিকার সবার আছে, কিন্তু ধর্মীয় অনুভূতি ও সম্মানিত একটি পেশা নিয়ে মন্তব্য করার সময় দায়িত্বশীলতাও থাকা প্রয়োজন।”_
বিবৃতির শেষে বলা হয়, _”ইসলাম ও ইমামদের নিয়ে এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”_
ইমামদের দায়িত্ব কী?*
স্থানীয় আলেম ও এলাকাবাসীর মতে, একজন ইমামের দায়িত্ব শুধু নামাজ পড়ানো নয়। জানাজা, বিয়ে, আকিকা, ওয়াজ, সামাজিক সালিশ, কাউন্সেলিং এবং সমাজের নৈতিক শিক্ষা দেওয়াসহ বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেন তারা। পাশাপাশি মসজিদের দেখভাল ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারেও তাদের ভূমিকা রয়েছে।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মনিরুল হক মন্টুর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।