বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
Headline :
বাঁশখালীতে SRB পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ: ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি অদম্য মেধাবী পলাশ রায় মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ( ব্যাচ ১৯৯৬),,,,,,,,,৷ সম্মানিত মোহনগঞ্জবাসী বিদায় সহকারী কমিশন (ভুমি) এম এ কাদের গতকাল লালমনিরহাট জেলার দুড়াকুটি রত্নাই নদীর দুই ব্রীজের মধ্যবর্তী স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হয় অটোগাড়ির যাত্রীর কাছ থেকে ৫ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর! মালয়েশিয়ার অন্ধকার জেলে বন্দী অসংখ্য বাংলাদেশি! তাদের কান্না কেউ শুনছে না। দোয়া চাইলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান আরমান হোসেন রাজু বাজারে আগুন, দিশেহারা নিম্ন-মধ্যবিত্ত: ৮০ টাকার নিচে নেই কোনো তরকারি, ইলিশ এখন স্বপ্ন ময়মনসিংহ নগরী বিজয়া দশমী উপলক্ষে শোভা যাত্রা অনুষ্ঠিত সীমান্তে ভালোবাসার টান: কাঁটাতারের ওপারে স্বজন, এপারে অপূর্ণ ইচ্ছা ও আক্ষেপ

অদম্য মেধাবী পলাশ রায় মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ( ব্যাচ ১৯৯৬),,,,,,,,,৷

Update : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

অদম্য মেধাবী
পলাশ রায়
মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ( ব্যাচ ১৯৯৬),,,,,,,,,৷

মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সাংবাদিক দৈনিক বাংলার সংবাদ সিনিয়র স্টাফ রিপোটার,,,
সিংধা থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনাঙ্গনে
মফস্বলের শিক্ষাঙ্গন থেকে দেশের উচ্চ আদালতের আইনাঙ্গনে প্রতিষ্ঠা—অ্যাডভোকেট পলাশ রায়ের পথচলা মেধা, অধ্যবসায় ও পেশাগত অঙ্গীকারের এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প।

নেত্রকোনার বারহাট্রা উপজেলার সিংধা গ্রামের সন্তান পলাশ রায়। তিনি মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৬ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এবং বেক্সিমকো গ্রুপের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং মোহনগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করার পর পলাশ রায় ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। সেখান থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (এলএলএম) ডিগ্রি অর্জন করেন।
উচ্চশিক্ষা শেষে ঢাকায় এসে বিশিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হকের ধানমন্ডির চেম্বারে আইনচর্চা শুরু করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন। বিচার বিভাগে যোগদানের পর প্রায় দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। পরে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে ফিরে আসেন আইন পেশায়।

প্রায় ১৮ বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতায় তিনি দেশের বহু প্রথিতযশা আইনজীবীর সঙ্গে কাজ করেছেন। মরহুম ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শফিক আহমেদ এবং ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদের সান্নিধ্য তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।
কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে বেক্সিমকো গ্রুপের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন আইনি বিষয়ে কাজ করছেন।

পলাশ রায়ের জীবনপথের উল্লেখযোগ্য দিক হলো—বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর নিজের পছন্দের পেশায় ফিরে এসে নতুনভাবে এগিয়ে চলা। এই সিদ্ধান্ত তাঁর পেশাগত স্বাধীনতা ও লক্ষ্যের প্রতি অঙ্গীকারের পরিচয় বহন করে।

তাঁর গল্প থেকে তরুণেরা শিখতে পারেন, ক্যারিয়ারে একটি পথ বেছে নেওয়াই শেষ কথা নয়; অভিজ্ঞতা, আত্মবিশ্বাস ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনে নতুন পথেও এগিয়ে যাওয়া যায়। পেশাগত উৎকর্ষের জন্য প্রয়োজন নিয়মিত জ্ঞানচর্চা, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দায়িত্বশীলতা।

অ্যাডভোকেট পলাশ রায় মোহনগঞ্জের সিংধা গ্রামের গর্ব এবং তাঁর প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন কৃতী মুখ। তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও অর্জন নতুন প্রজন্মকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে যোগ্যতা অর্জন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে চলার প্রেরণা জোগাক।


More News Of This Category