রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
Headline :
সিরাজগঞ্জে নাটুয়াপাড়ায় লিও পাম্প বাংলাদেশের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্প সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি মধুপুরে মাদক-জুয়া ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে মতবিনিময় আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডে তীব্র দুর্গন্ধ, রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ* রৌনাক খান (সরাইল উপজেলা প্রতিনিধি বালিয়াকান্দিতে স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা গংগাচড়ায় সোনার দামে বালু, থমকে গেছে উন্নয়ন, উপজেলা প্রশাসন নিরব। বিপাকে কৃষক ও ঠিকাদার এম লিখন সরকার । গংগাচড়া (রংপুর প্রতিনিধি) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তুরাগবাসীসহ দেশবাসীকে আব্দুর রহমান বুলুর শুভেচ্ছা ঢাকায় নিখোঁজ চাঁদপুরের কলেজছাত্রী নাজমা আক্তার, রহস্যময় বার্তায় দুর্ঘটনার দাবি জেমস আব্দুর রহিম রানা, নিজস্ব প্রতিবেদক আদিতমারীতে পুকুরে ডুবে কিশোরীর মৃত্যু, রংপুর ফায়ার সার্ভিসের সফল অভিযান। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগ ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ ও সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে মিরপুরে জরুরি সভা বিশেষ প্রতিনিধি : নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলার সংবাদ:

গাইবান্ধায় নিয়োগ জালিয়াতি প্রমাণের আড়াই বছরেও ৪ শিক্ষক বহাল তবিয়তে!

মোঃ মিঠু মিয়া,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ 
Update : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধায় দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষক/শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার দীর্ঘ আড়াই বছর পার হলেও রহস্যজনক কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে অভিযুক্তরা বহাল তবিয়তে সরকারি চাকরি করে যাচ্ছেন।

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি জনৈক সাংবাদিক গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর উত্তরপাড়া কমিউনিটি বিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারিকৃত) এর শিক্ষক ফরহাদ হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌসী এবং বৌলেরপাড়া কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারিকৃত) এর সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ সাথী আক্তার ও শাহানারা খাতুনের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগ এনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করেন। তদন্তে জানা যায়, স্বাক্ষর ও সীল যাচাইয়ে অনিয়ম, একই ব্যক্তির দ্বৈত স্বাক্ষর, ঠিকানা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত লঙ্ঘনসহ নানা জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়।

বিশেষ করে, সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ সাথী আক্তারের সার্ভিস বুক ও তথ্য ফরমে এলোমেলো স্বাক্ষর ও সীল দেখা যায়, যা অফিসিয়াল নথির সাথে মেলেনি। অন্যদিকে শাহানারা খাতুন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা হয়েও গাইবান্ধা সদর উপজেলার প্রার্থী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, যা নিয়োগ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আরও পড়ুনঃ মোরেলগঞ্জের সন্ন্যাসীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ২০১৫ সালে যে সংযুক্তি আদেশ জারি করেন, তাতেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে, যা জালিয়াতির সন্দেহকে আরও প্রবল করে।

চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেই, রহস্যজনক নীরবতা, তদন্তে নিয়োগ জালিয়াতি সনাক্ত হলেও দীর্ঘ আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন – “তদন্তের পরও কেন অভিযুক্তরা বহাল তবিয়তে রয়েছেন? প্রশাসনের নীরবতা কার স্বার্থে?”

তারা জরুরি ভিত্তিতে উক্ত চার শিক্ষক/শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।


More News Of This Category