বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
Headline :
পানছড়িতে বিজিবির অভিযানে সেগুন কাঠ জব্দ, মূল্য ৪০ হাজার টাকা নাগেশ্বরীতে ১ হাজার ১৭০ পিস ইয়াবা সহ ৩ ব্যক্তি গ্রেফতার এম সাইফুর রহমান, নাগেশ্বরী কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১,১৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার; ২০ টি মাদক মামলার আসামি রাজু সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন বান্দরবানে অবৈধ সেগুন কাঠের চালান নিয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনকে ঘিরে অভিযোগ মোহনগঞ্জে বিচ্ছেদের ২০ দিন পর মর্মান্তিক ঘটনা, ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে সাবেক স্বামী-স্ত্রী। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো।

বান্দরবানে অবৈধ সেগুন কাঠের চালান নিয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনকে ঘিরে অভিযোগ

Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

বান্দরবানে অবৈধ সেগুন কাঠের চালান নিয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনকে ঘিরে অভিযোগ

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে সেগুন গাছ কেটে কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে বিভিন্ন সড়ক দিয়ে নিয়মিত চোরাই কাঠের চালান পরিবহন করা হলেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় বন বিভাগের চেমী ডলু রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনের ভূমিকা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, অবৈধভাবে কাটা সেগুন গাছের চালান পারাপারের ক্ষেত্রে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বনাঞ্চল থেকে কেটে আনা সেগুন কাঠ বিভিন্ন যানবাহনে করে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নজরদারি থাকার পরও কীভাবে এসব কাঠ নির্বিঘ্নে পরিবহন হচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, চোরাই কাঠের এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর অভিযান ও জব্দ কার্যক্রম না থাকায় কাঠ পাচারকারীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে। এতে একদিকে সরকারি বনসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে পাহাড়ি এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

সচেতন মহল বলছে, চেমী ডলু রেঞ্জের আওতাধীন বনাঞ্চলে অবৈধ সেগুন কাঠ কাটা ও পরিবহনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

একই সঙ্গে চোরাই কাঠের চালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বনাঞ্চল রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


More News Of This Category

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।