বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
Headline :
পানছড়িতে বিজিবির অভিযানে সেগুন কাঠ জব্দ, মূল্য ৪০ হাজার টাকা নাগেশ্বরীতে ১ হাজার ১৭০ পিস ইয়াবা সহ ৩ ব্যক্তি গ্রেফতার এম সাইফুর রহমান, নাগেশ্বরী কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১,১৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার; ২০ টি মাদক মামলার আসামি রাজু সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন বান্দরবানে অবৈধ সেগুন কাঠের চালান নিয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনকে ঘিরে অভিযোগ মোহনগঞ্জে বিচ্ছেদের ২০ দিন পর মর্মান্তিক ঘটনা, ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে সাবেক স্বামী-স্ত্রী। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ একটা পুরনো কর্মের হিসাব খুঁজতে গিয়ে গ্যালারিতে হঠাৎ এই ছবিটা চোখে পড়লো।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১,১৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার; ২০ টি মাদক মামলার আসামি রাজু সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১,১৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার; ২০ টি মাদক মামলার আসামি রাজু সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয়ক্রাইম রিপোর্ট
০১৭১৭৭৭৬৯৭২

📍 কুড়িগ্রাম, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ খ্রি.

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানা পুলিশের অভিযানে ১,১৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ২৬,৭৯০ টাকা, ০১টি ১৫০ সিসি পালসার মোটরসাইকেল ও ০৪টি মোবাইল ফোনসহ ০৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ০৩ নভেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত ১১.০০ ঘটিকায় সহকারী পুলিশ সুপার নাগেশ্বরী সার্কেল গোলাম মোর্শেদ এর নেতৃত্বে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ নাগেশ্বরী পৌরসভার কানিপাড়া বদিজমাপুর গ্রামে মাদক কারবারি মোঃ রেজাউল করিম রাজু (৫০)-এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ০৩ জনকে উল্লিখিত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
১। মোঃ রেজাউল করিম রাজু (৫০), সাং- কানিপাড়া বদিজমাপুর, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।
২। মোঃ ফজলে মিয়া (৪৮), সাং- কাজিপাড়া, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।
৩। মোঃ রাসেল মিয়া (৩৫), সাং- বালাসিপাড়া, ওয়ার্ড নং-০৭, নাগেশ্বরী পৌরসভা, কুড়িগ্রাম।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটসহ সীমান্তবর্তী এলাকা এবং রাজধানী ঢাকায় মাদক সরবরাহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।

নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ গোলাম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সিডিএমএস পর্যালোচনায় প্রধান আসামি মোঃ রেজাউল করিম রাজু (৫০)-এর বিরুদ্ধে মোট ২০টি মাদক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মামলার মধ্যে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ও কুড়িগ্রাম থানা, লালমনিরহাট সদর থানা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের ভাটারা থানায় দায়েরকৃত মামলা রয়েছে।
অপর আসামি মোঃ ফজলে মিয়া (৪৮)-এর বিরুদ্ধে নাগেশ্বরী থানায় ০১টি মাদক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নাগেশ্বরী থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


More News Of This Category

হবিগঞ্জের মাধবপুর খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক পুলিশের খাচায় আটক। তাছলিমা খন্দকার নুশরাত (স্টাফ রিপোর্টার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ৭ নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট খড়কী গ্রামের মাদক সম্রাট কুক্ষ্যাত গরুচুর ফ্যাসিস্ট নেতা ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া জুলাই বিপ্লবের ৫ ইং আগষ্ট বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলন চলা কালে, ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অর্তকীত হামলা চালিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আহত নিহত করার আতংকের আরেক নাম ফজলু মিয়া। জানাযায় ৭নং জগদিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর সহ সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়া তার নিজ বসত ঘড়ে একটি গুপন আন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘ পনের বছর যাবত আওয়ামলিগের ধাপট কাটিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষের গরু চুরি করে এনে আন্ডার গ্রাউন্ডে জবাই করে বিক্রয় করতেন। নিরাপদ স্থান হওয়ায় একপর্যায়ে সেখানেই গড়ে তোলেন ইয়াবা, বিদেশি বিয়ার ও ফেনসিডিল ব্যবসার এক ভয়াবহ আস্তানা ঐ আন্ডার গ্রাউন্ডে। তার এসব অপকর্মের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল ঐএলাখায় এক বিশাল বাহিনীও। তারই ধারাবাহিকতায় খড়কী গ্রামে তার এক আধিপত্য বিস্তার, ফজলু মিয়ার ইশারায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঐ গ্রামে সংগঠিত হয় কয়েকটি ভয়াবহ দাংগা, ঝরে যায় দুইটি তাজা প্রান, ভাংচুর ও লুট পাটসহ অগ্নিসংযোগ করা হয় অর্ধশতাধিক ঘড়বাড়ি আজো হয়নি তার কোন বিচার। শুধু কি তাই ফ্যাসিস্ট ফজলুল হক ওরফে ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাসহ হবিগঞ্জ কোর্টে রয়েছে একাধিক মামলা। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তা তিনি জানান যে, একটি মারামারি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।