বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
Headline :
আজ এক মাস… আমার কলিজার টুকরো কাশিমপুরে। দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ৭ পাহাড়ি পরিবার দুর্গম রাম রতন কারবারি পাড়ায় ১৪টি ছাগল বিতরণ, জীবিকার নতুন সম্ভাবনা মধুপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: মধুপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ১৯৫০ সালের ৮ জুলাই মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবুল কাশেম মঈনুদ্দীন ও মাতার নাম বেগম রশীদা সুলতানা দীন। তার ১১ বছর বয়সে পিতা মারা যান। তার মা ছিলেন ময়মনসিংহ রাধাসুন্দরী গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা এবং একজন চিত্রশিল্পী। বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ১৯৫০ সালের ৮ জুলাই মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবুল কাশেম মঈনুদ্দীন ও মাতার নাম বেগম রশীদা সুলতানা দীন। তার ১১ বছর বয়সে পিতা মারা যান। তার মা ছিলেন ময়মনসিংহ রাধাসুন্দরী গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা এবং একজন চিত্রশিল্পী। ঠাকুরগাঁওয়ে ১০০ কিলোমিটার ধাওয়া করে ট্রাকচালক আটক, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের সজোরে ধাক্কা: ৩ জন নিহত, ১৫ আহত *ভালোবাসার কিছু স্মৃতি হৃদয়ে চিরদিনের জন্য জায়গা করে নেয়… ইতিহাস সাক্ষী প্রমাণ দিলাম। ও মিয়া সাব আপনি কি ভুলে গেছেন??

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ৭ পাহাড়ি পরিবার দুর্গম রাম রতন কারবারি পাড়ায় ১৪টি ছাগল বিতরণ, জীবিকার নতুন সম্ভাবনা

Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ৭ পাহাড়ি পরিবার
দুর্গম রাম রতন কারবারি পাড়ায় ১৪টি ছাগল বিতরণ, জীবিকার নতুন সম্ভাবনা

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

দুর্গম পাহাড়ি জনপদে দারিদ্র্য মোকাবিলা করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সাতটি অসহায় পাহাড়ি পরিবার। তাদের জীবিকায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার দুর্গম রাম রতন কারবারি পাড়ার সাতটি পরিবারের মাঝে ১৪টি ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দীঘিনালা জোনের জোন অধিনায়কের নির্দেশনায় আলমগীর টিলা আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে সাতটি পরিবারের প্রত্যেককে দুটি করে ছাগল দেওয়া হয়। সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে দুর্গম এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টির ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠানে দীঘিনালা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ২৫ জন উপস্থিত ছিলেন।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অনেক পরিবারকে জীবিকা নির্বাহে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। সীমিত আর্থিক সামর্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থার অসুবিধা ও কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতার কারণে এসব পরিবারের জন্য নিয়মিত আয়ের ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে গবাদিপশু বিতরণের মতো উদ্যোগ তাদের বিকল্প জীবিকার পথ তৈরি করতে পারে।
ছাগল পালন তুলনামূলকভাবে কম পুঁজি দিয়ে শুরু করা যায়। যথাযথ পরিচর্যা, নিয়মিত টিকাদান ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে ছাগল পালন থেকে আয় করার পাশাপাশি বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবারের সম্পদও বাড়ানো সম্ভব। এতে ভবিষ্যতে সংসারের ব্যয় নির্বাহ, সন্তানদের শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ মেটানো এবং আর্থিক সংকট মোকাবিলায় পরিবারগুলো উপকৃত হতে পারে।
ছাগল পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো দীঘিনালা জোনের জোন অধিনায়ক ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুর্গম এলাকায় তাদের পাশে দাঁড়িয়ে জীবিকার সুযোগ সৃষ্টির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান তাঁরা।
স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ের দুর্গম জনপদে বসবাসরত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ছাগলের নিয়মিত পরিচর্যা ও রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি জনপদে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দীঘিনালা জোনের এ উদ্যোগ সাতটি পরিবারের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম করার পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


More News Of This Category