বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
Headline :
মধুপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছোট গল্প ঃ শহরের কোলাহল ছেড়ে একটুখানি দূরে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীর ঘেঁসে বিকেলে নরম আলোয় হাঁটছি। খুকি সোনা সানজিদা আক্তার মুক্তা আমতলীতে আন্তর্জাতিক সিসা দূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সোনালী ব্যাংকের নতুন দুই ডিএমডিকে পরিচালনা পর্ষদের শুভেচ্ছা’,, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আমির আহমেদ চৌধুরী রতন স্যারের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা ফুলছড়িতে বহুমুখী নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন ও কৃষকদের মাঝে বীজ বিতরণ বুয়েট থেকে পাস করে, ৩৪তম বিসিএস-এর ক্যাডার এবং জনতা ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে প্রাথমিকের শিশুদের পড়ানো সেই নায়লা শারাফ সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন! আগেকার শিক্ষক ও বর্তমান শিক্ষক, আগেকার ছাত্র ও বর্তমান ছাত্র সময় বদলেছে, বদলেছে শিক্ষা—বদলেছে কি মূল্যবোধ?৷ নেত্র‌কোণা জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা- ২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা সম্পন্ন,,

পাঁচবিবিতে এই ঈদে কামারপল্লীতে কাজ কম থাকায় অলস সময় পার করছেন কর্মকাররা

Update : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
পাঁচবিবিতে এই ঈদে কামারপল্লীতে কাজ কম থাকায় অলস সময় পার করছেন কর্মকাররা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কামারপল্লীগুলোতে এবার কুরবানির ঈদকে ঘিরে নেই কোন পূর্বের মতো ব্যস্ততা বা কর্মচাঞ্চল্য। রাস্তার পাশে মাথার উপর পলেথিনের ছাউনি টাঙিয়ে কামারেরা যেখানে একসময় টুংটাং শব্দে দিনরাত কাজ করে যেতেন, এবার সেখানে বিরাজ করছে নীরবতা। ঈদের আগমনী সুর যতই ঘনিয়ে আসুক না কেন, কামারদের হাতে যেন সময়টাই এখন অলসতায় ভরা।

স্থানীয় কামার বিপুল চন্দ্র কর্মকার বলেন, একটা সময় ঈদের আগে এত ব্যস্ত থাকতাম যে রাতে ঘুমানোরও সময় পেতাম না। এখন সেই দিন আর নেই। কয়লা আর লোহার দাম বেড়ে গেছে অনেক। তার ওপর চাহিদাও আগের মতো নেই। বাপ-দাদার পেশা বলেই ধরে আছি, কিন্তু এখন লোকসান গুনেই কাজ চালাতে হচ্ছে। মানুষ আর দেশি দা-বটি বানাতে আগ্রহী নয়। সস্তা চাইনিজ পণ্য আর কারখানার তৈরি সরঞ্জামই এখন বাজার দখল করে ফেলেছে।”

স্থানীয় কামারপল্লীগুলো ঘুরে দেখা গেছে, হাতে গোনা কয়েকজন কামার নিজেদের দোকানে ধীরগতিতে দা, বঁটি ও ছুরি বানিয়ে যাচ্ছেন। নেই সেই আগের মতো কাস্টমারের ভিড়, নেই তাড়াহুড়ো, আর দেখা মিলছে না সেই চেনা ঈদের প্রস্তুতির আমেজ।

কামাররা বলছেন, এই পেশাকে ধরে রাখতে হলে প্রয়োজন সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা এবং দেশি হস্তশিল্পকে টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ। নইলে এক সময় হয়তো কামারপল্লীর টুংটাং শব্দ কেবল স্মৃতিতেই থেকে যাবে।


More News Of This Category