সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
Headline :
পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও বাইসাইকেল আটক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া গোমস্তাপুরে সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, সড়কে বালু-নির্মাণসামগ্রী—দুর্ঘটনার শঙ্কা মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহন করলেন ডা. নূরুল হক “হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের” কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস নীলফামারীতে ৪ শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেফতার। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ সিরাজগঞ্জে নাটুয়াপাড়ায় লিও পাম্প বাংলাদেশের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্প সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি মধুপুরে মাদক-জুয়া ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে মতবিনিময় আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

পাঁচবিবিতে এই ঈদে কামারপল্লীতে কাজ কম থাকায় অলস সময় পার করছেন কর্মকাররা

Update : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
পাঁচবিবিতে এই ঈদে কামারপল্লীতে কাজ কম থাকায় অলস সময় পার করছেন কর্মকাররা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কামারপল্লীগুলোতে এবার কুরবানির ঈদকে ঘিরে নেই কোন পূর্বের মতো ব্যস্ততা বা কর্মচাঞ্চল্য। রাস্তার পাশে মাথার উপর পলেথিনের ছাউনি টাঙিয়ে কামারেরা যেখানে একসময় টুংটাং শব্দে দিনরাত কাজ করে যেতেন, এবার সেখানে বিরাজ করছে নীরবতা। ঈদের আগমনী সুর যতই ঘনিয়ে আসুক না কেন, কামারদের হাতে যেন সময়টাই এখন অলসতায় ভরা।

স্থানীয় কামার বিপুল চন্দ্র কর্মকার বলেন, একটা সময় ঈদের আগে এত ব্যস্ত থাকতাম যে রাতে ঘুমানোরও সময় পেতাম না। এখন সেই দিন আর নেই। কয়লা আর লোহার দাম বেড়ে গেছে অনেক। তার ওপর চাহিদাও আগের মতো নেই। বাপ-দাদার পেশা বলেই ধরে আছি, কিন্তু এখন লোকসান গুনেই কাজ চালাতে হচ্ছে। মানুষ আর দেশি দা-বটি বানাতে আগ্রহী নয়। সস্তা চাইনিজ পণ্য আর কারখানার তৈরি সরঞ্জামই এখন বাজার দখল করে ফেলেছে।”

স্থানীয় কামারপল্লীগুলো ঘুরে দেখা গেছে, হাতে গোনা কয়েকজন কামার নিজেদের দোকানে ধীরগতিতে দা, বঁটি ও ছুরি বানিয়ে যাচ্ছেন। নেই সেই আগের মতো কাস্টমারের ভিড়, নেই তাড়াহুড়ো, আর দেখা মিলছে না সেই চেনা ঈদের প্রস্তুতির আমেজ।

কামাররা বলছেন, এই পেশাকে ধরে রাখতে হলে প্রয়োজন সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা এবং দেশি হস্তশিল্পকে টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ। নইলে এক সময় হয়তো কামারপল্লীর টুংটাং শব্দ কেবল স্মৃতিতেই থেকে যাবে।


More News Of This Category