নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | ৯ আগস্ট ২০২৬
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক বনি ইবনে কামালের বিরুদ্ধে অপসাংবাদিকতা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ এবং অর্থের বিনিময়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয়তাবাদী দলের উত্তর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ও তার পরিবার।
রোববার (৯ আগস্ট) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে সাংবাদিক বনি ইবনে কামালের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ফয়সাল আহমেদের বিরুদ্ধে ময়লা সংগ্রহ ও বিতরণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তবে ওই প্রতিবেদনে ফয়সাল আহমেদের বক্তব্য নেওয়া হয়নি এবং অভিযোগের বিষয়ে তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তার অবস্থান জানার চেষ্টা করা হয়নি বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
তাদের অভিযোগ, প্রতিবেদনের জন্য একজন বাড়ির দারোয়ানের সঙ্গে কথা বলার সময় সাংবাদিক বনি ইবনে কামাল ওই দারোয়ানের কাছে ফয়সাল আহমেদের নাম উল্লেখ করে জানতে চান তিনি ময়লা সংগ্রহ করেন কি না। একপর্যায়ে ওই দারোয়ান একজন খাটো ও কালো ব্যক্তির বর্ণনা দেন বলে দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ফয়সাল আহমেদ ওই দারোয়ানের সামনে গেলে তিনি তাকে আগে কখনো দেখেননি বলে জানান—এমন দাবিও করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল আহমেদের বাবা হাজী দেলোয়ার হোসেন দুলু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং মিরপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনেও অংশ নিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বক্তারা অভিযোগ করেন, এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সাংবাদিক বনি ইবনে কামালের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রকাশিত প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ফয়সাল আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা।